images

অর্থনীতি

মসলা ও খেজুরে রেগুলেটরি শুল্ক প্রত্যাহার

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

১১ জুন ২০২৬, ০৫:১৪ পিএম

এবার জাতীয় প্রস্তাবিত বাজেটে সকল মসলা ও খেজুর আমদানিতে ৫ শতাংশ রেগুলেটরি শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বাজেট উত্থাপনকালে এ কথা জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, জনসাধারণের প্রাত্যহিক খাদ্যতালিকায় এবং দৈনন্দিন রান্নায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বিভিন্ন ধরনের মসলা ব্যবহার করা হয়। এ বিবেচনায় সকল প্রকার মসলার ওপর ৫ শতাংশ রেগুলেটরি শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের প্রস্তাব করছি।

এছাড়াও খেজুর আমদানিতে রেগুলেটরি শুল্ক প্রত্যাহার নিয়ে বলেন, খেজুর আমদানিতে ৫ শতাংশ রেগুলেটরি শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করার প্রস্তাব করছি।

জানা গেছে, প্রতি বছর বাংলাদেশে খেজুর আমদানি বাড়ছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বার্ষিক আমদানি বেড়ে প্রায় ১ লাখ (১০০,০০০) টন-এ পৌঁছেছে। ২০২৫–২৬ মৌসুমে (রমজানকে কেন্দ্র করে) আমদানির পরিমাণ আরও বেশি ছিল। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে ৪৯,৮০৭ টন খেজুর এসেছে। যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১১.৪ শতাংশ বেশি।

বাংলাদেশ প্রতি বছর সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইরান, তিউনিসিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে খেজুর আমদানি করে থাকে।

অন্যদিকে বাংলাদেশ প্রতি বছর  পেঁয়াজ বাদে (আদা, রসুন, জিরা, মরিচ, হলুদ, দারুচিনি, এলাচ, লবঙ্গ, গোলমরিচসহ বিভিন্ন মসলা) আমদানি হয়। যা  সাধারণত সাড়ে চার  থেকে ৮ লাখ টন।

বাংলাদেশের বার্ষিক মসলার চাহিদা প্রায় ২৪–২৫ লাখ টন এবং এর ঘাটতি পূরণে ৭–৮ লাখ টন মসলা আমদানি করতে হয়। বাংলাদেশ মসলা গবেষণা কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, দেশে মোট চাহিদার তুলনায় প্রায় ৯–১৩.৫ লাখ টন ঘাটতি থাকে, যা আমদানির মাধ্যমে পূরণ করা হয়।

এমআইকে/জেবি