images

অর্থনীতি

সব সিগারেটের দাম বাড়ছে, কোন স্তরে কত বাড়ছে?

নিজস্ব প্রতিবেদক

১১ জুন ২০২৬, ০৪:৪৫ পিএম

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সব স্তরের সিগারেটের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রথমবারের মতো নিকোটিন পাউচের দাম নির্ধারণ এবং এই পণ্যের ওপর কর আরোপ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনের সময় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ ঘোষণা দেন।

প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, প্রতি ১০ শলাকা সিগারেটের সর্বনিম্ন খুচরা মূল্য নিম্নস্তরে ৬২ টাকা, মধ্যম স্তরে ৯২ টাকা, উচ্চ স্তরে ১৬০ টাকা এবং অতি উচ্চ বা প্রিমিয়াম স্তরে ২১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে এসব স্তরে ১০ শলাকার সিগারেটের দাম ছিল যথাক্রমে ৬০, ৮০, ১৪০ ও ১৮৫ টাকা।

নতুন মূল্য কাঠামোর ফলে নিম্নস্তরের ১০ শলাকার সিগারেটের দাম প্যাকেটপ্রতি ২ টাকা বেড়েছে। মধ্যম স্তরের সিগারেটের দাম বেড়েছে ১০ টাকা। উচ্চস্তরের সিগারেটের ক্ষেত্রে দাম বেড়েছে ২০ টাকা। আর অতি উচ্চ বা প্রিমিয়াম স্তরের সিগারেটের দাম ২৫ টাকা বাড়িয়ে ২১০ টাকা করা হয়েছে, যা চার স্তরের মধ্যে সর্বোচ্চ বৃদ্ধি। এ হিসাবে প্রতি শলাকা সিগারেটের দাম বেড়েছে সর্বনিম্ন ২০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ আড়াই টাকা পর্যন্ত।

সিগারেটের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের তামাকপণ্য হিসেবে পরিচিত নিকোটিন পাউচও প্রথমবারের মতো কর কাঠামোর আওতায় আনা হয়েছে। বাজেটে প্রতি ১০ গ্রাম নিকোটিন পাউচের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ পণ্যের ওপর ৪০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের পাশাপাশি আমদানি নিরুৎসাহিত করতে ৩৫০ শতাংশ হারে শুল্ক নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া প্রতি ১০ গ্রাম নিকোটিন পাউচ এবং হিটেড টোব্যাকো পণ্যের ওপর ১ শতাংশ স্বাস্থ্য উন্নয়ন সারচার্জ আরোপ করা হয়েছে। হিটেড টোব্যাকোর ক্ষেত্রে প্রতি ১০ শলাকার সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ২১০ টাকা এবং সম্পূরক শুল্ক ৬৭ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজেটে সিগারেটের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সম্পূরক শুল্কহার ৬৭ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি অবৈধ তামাকপণ্যের উৎপাদন ও সরবরাহ নিয়ন্ত্রণে ‘ট্র্যাক অ্যান্ড ট্রেস’ ব্যবস্থা চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে বাজারে তামাকজাত পণ্যের উৎপাদন, সরবরাহ ও বিক্রয় কার্যক্রম আরও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে।

স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে এমন তামাকজাত পণ্যের ব্যবহার কমানো এবং রাজস্ব আয় বৃদ্ধি করাই এসব পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য বলে জানিয়েছে সরকার।

এম/এমআর