images

অর্থনীতি

ইসলামী ব্যাংকের সামনে সংঘর্ষে আহত শতাধিক

নিজস্ব প্রতিবেদক

০১ জুন ২০২৬, ০৪:৪১ পিএম

‎রাজধানীর মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে নতুন নিয়োগের প্রতিবাদে বিপুলসংখ্যক গ্রাহক ও শেয়ারহোল্ডার ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে সমাবেশ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় শতাধিক গ্রাহক ও পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে।

‎সোমবার (১ জুন) দুপুরে রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে আহতের ঘটনায় প্রাথমিকভাবে আহতদের নাম পরিচয় জানা যায় নি।

‎সকাল থেকে মতিঝিলের ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা গ্রাহক ও শেয়ারহোল্ডাররা জড়ো হতে থাকে। 

এ সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারশেল, জলকামান, সাউন্ড গ্রেনেড ও লাঠিচার্জ করে। এ ঘটনায় শতাধিক গ্রাহক, শেয়ারহোল্ডার ও পুলিশ সদস্য আহত হয়। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়।

‎এদিকে, ইসলামী ব্যাংক ভুক্তভোগী গ্রাহক সমন্বয় পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক নুর নবী মানিক বলেন, গত ২৪মে সরকারের অবৈধ হস্তক্ষেপে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান এবং এমডি ওমর ফারুক খানকে জোরপূর্বক পদত্যাগ করানো হয়। ঐদিন বাংলাদেশ ব্যাংক আওয়ামী লীগের দোসর বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে বিতাড়িত সাবেক ডেপুটি গভর্নর খুরশিদ আলমকে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে।

‎এ সময় খুরশিদ আলমকে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিয়োগ বাতিলের দাবি জানান এবং এমডি ওমর ফারুক খানকে স্ব পদে বহাল করার আহ্বান জানান। 

কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংক গ্রাহকদের দাবি উপেক্ষা করে এস আলম গ্রুপের লোকজনকে ইসলামী ব্যাংকে পূর্ণবাসন করে। এরই প্রতিবাদে আজ ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহকেরা শান্তিপূর্ণভাবে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করতে গেলে সরকারের নির্দেশে পুলিশ জলকামান, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে এবং ব্যাপক লাঠিচার্জ করতে থাকে।

‎এ বিষয়ে মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ বলেন, আমরা সকালে থেকে আন্দোলনকারীদের সরে যেতে বলেছি। যেহেতু এখানে ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়সহ অন্যান্য ব্যাংক রয়েছে। তাদের ভালোভাবে বুঝিয়ে বলা হয়েছে। এরপর আমরা তাদের ছত্রভঙ্গ করতে সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান নিক্ষেপ করেছি। এ সময় পুলিশের সঙ্গে সংষর্ঘের ঘটনায় আমাদের অনেক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে।

‎একেএস/এআরএম