images

অর্থনীতি

খরচ বেড়েছে, কাজ হয়নি: প্রশ্নের মুখে মৎস্য প্রকল্প

আব্দুল হাকিম

১৯ মে ২০২৬, ০৯:৫১ পিএম

  • প্রায় ২৫ শতাংশ ব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাব
  • ৫৮৮ জন থেকে কর্মী বাড়িয়ে ৮২৮ জন করার পরিকল্পনা
  • কাজ না করেই একই খাতে আরও ৫ কোটি টাকা চাওয়া হয়েছে
  • ১৮৫টি বিল নার্সারি স্থাপনের লক্ষ্য নির্ধারণ
  • অনলাইন মাছ বিপণন প্ল্যাটফর্ম তৈরির পরিকল্পনা
  • ব্যয় বৃদ্ধির যৌক্তিকতা নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা চেয়েছে কমিশন

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা করে মাছের উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে নেওয়া ‘ক্লাইমেট স্মার্ট এগ্রিকালচার অ্যান্ড ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট (মৎস্য অধিদপ্তর পার্ট)’ প্রকল্পের ব্যয় বাড়ানো হলেও বাস্তব অগ্রগতি ও কার্যক্রম বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে পরিকল্পনা কমিশন। একাধিক খাতে বরাদ্দ থাকার পরও কাজ না হওয়া, কিছু খাতে অতিরিক্ত ব্যয় এবং নতুন করে শত কোটি টাকার বেশি ব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে প্রকল্পটির কার্যকারিতা ও বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে সংশ্লিষ্ট মহলে।

বিশেষ করে যেসব খাতে বরাদ্দ থাকার পরও দীর্ঘ সময়ে কোনো কাজ হয়নি, সেসব খাতে আবার অতিরিক্ত অর্থ চাওয়ার বিষয়টি কমিশনের পর্যবেক্ষণে এসেছে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতায় মৎস্য অধিদফতরের বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পের দ্বিতীয় সংশোধনী প্রস্তাব নিয়ে সম্প্রতি পরিকল্পনা কমিশনে অনুষ্ঠিত প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভার কার্যপত্রে নানা অসঙ্গতি, ব্যয় বৃদ্ধি এবং বাস্তব অগ্রগতির দুর্বলতা তুলে ধরা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সচিব) মো. মাহমুদুল হোসাইন খান।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পটি মূলত জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি, মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন, বাজারব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ এবং মৎস্যজীবীদের আয় বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে ২০২১ সালের অক্টোবরে শুরু হয়। প্রথমে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মেয়াদ নির্ধারণ করা হলেও পরে প্রথম সংশোধনীতে তা বাড়িয়ে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়। এখন আবার দ্বিতীয় সংশোধনীতে প্রকল্পের মেয়াদ আরও এক বছর বাড়িয়ে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

শুধু মেয়াদই নয়, বাড়ছে ব্যয়ও। প্রকল্পটির মূল অনুমোদিত ব্যয় ছিল ১০৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা। পরে প্রথম সংশোধনীতে তা কমিয়ে ৯০ কোটি ৬২ লাখ টাকায় নামানো হয়। কিন্তু এখন দ্বিতীয় সংশোধনীতে আবার ব্যয় বাড়িয়ে ১১৩ কোটি ২০ লাখ টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ প্রথম সংশোধিত ব্যয়ের তুলনায় প্রায় ২২ কোটি ৫৮ লাখ টাকা বা প্রায় ২৫ শতাংশ ব্যয় বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর বড় অংশই বিশ্বব্যাংকের ঋণ থেকে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

fish

পরিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তারা বলছেন, ব্যয় বাড়ানোর পেছনে যেসব যুক্তি দেখানো হয়েছে, তার অনেকগুলোই পর্যাপ্তভাবে ব্যাখ্যা করা হয়নি। বরং প্রকল্পের কিছু খাতে বাস্তব অগ্রগতি না থাকা সত্ত্বেও নতুন করে বড় অঙ্কের অর্থ চাওয়ার প্রস্তাব কমিশনের উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

কার্যপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘মিনি ফিশ প্রসেসিং প্লান্ট’ নির্মাণের জন্য প্রথম সংশোধনীতে ৭ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছিল। কিন্তু ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত এ খাতে কোনো ব্যয়ই হয়নি। অর্থাৎ বরাদ্দ থাকলেও প্রকল্প কর্তৃপক্ষ বাস্তবে কাজ শুরু করতে পারেনি। অথচ দ্বিতীয় সংশোধনীতে আবার একই খাতে আরও ৫ কোটি টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। পরিকল্পনা কমিশন এ বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা চেয়েছে।

একইভাবে ‘অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ’ খাতে বরাদ্দের চেয়েও বেশি অর্থ ইতিমধ্যে ব্যয় হয়েছে। প্রথম সংশোধনীতে এ খাতে ১ কোটি ৭০ লাখ ৯৬ হাজার টাকা বরাদ্দ ছিল। কিন্তু মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ১ কোটি ৭১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। এরপরও নতুন করে আরও প্রায় ২ কোটি ৯৪ লাখ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কমিশনের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, প্রশিক্ষণার্থীর সংখ্যা কী পরিমাণ বাড়ছে এবং বাড়তি ব্যয়ের যৌক্তিকতা কী, তা স্পষ্ট করা প্রয়োজন।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ‘জলবায়ু সহিষ্ণু প্রযুক্তি স্থাপন’ খাতে অতিরিক্ত প্রায় ৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা, ‘পোনা মাছ অবমুক্তকরণ’ খাতে প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা এবং ‘বিল নার্সারি ও জলাশয় পুনঃখনন’ খাতে অতিরিক্ত ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া বিল নার্সারির সংখ্যা বাড়িয়ে নতুন বরাদ্দও চাওয়া হয়েছে। কমিশনের কর্মকর্তারা মনে করছেন, এসব খাতে ব্যয় বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা বিস্তারিতভাবে যাচাই করা দরকার।

প্রকল্পটির আওতায় স্থানীয় মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মীর সংখ্যাও বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। আগে যেখানে ৫৮৮ জন কর্মী ছিল, সেখানে তা বাড়িয়ে ৮২৮ জন করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তাঁদের ভাতাও বাড়ানো হচ্ছে। একইভাবে প্রাতিষ্ঠানিক কর্মীর সংখ্যা ৩৬ জন থেকে বাড়িয়ে ১২৫ জন করার প্রস্তাব রয়েছে। পরিকল্পনা কমিশনের মতে, অতিরিক্ত জনবল প্রকল্প বাস্তবায়নে কতটা প্রয়োজন, তা পরিষ্কারভাবে তুলে ধরা হয়নি।

এ ছাড়া প্রকল্প থেকে জিপ, পিকআপ ও মাইক্রোবাস ক্রয়ের বিষয় বাদ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু যানবাহন না কিনলেও পেট্রল, অয়েল ও লুব্রিকেন্ট খাতে ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। কমিশন জানতে চেয়েছে, যানবাহন ছাড়া এই ব্যয় কীভাবে হবে এবং এর যৌক্তিকতা কী।

প্রকল্পে নতুন কিছু কার্যক্রমও যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ধানক্ষেতে মাছচাষ প্রদর্শনী, পুকুরে গলদা চিংড়ি উৎপাদন প্রদর্শনী, মাছের খাদ্য তৈরির মেশিন বিতরণ, খাঁচায় ব্যবহৃত তরল অ্যারেটর বিতরণ এবং বিদেশে প্রশিক্ষণ। এসব নতুন খাতে কয়েক কোটি টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে।

fish-2

বিশেষ করে মাছের খাদ্য তৈরির মেশিন বিতরণে ৩ কোটি ১০ লাখ টাকা এবং খাঁচায় তরল অ্যারেটর বিতরণে ৩ কোটি টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। কমিশনের কর্মকর্তারা জানতে চেয়েছেন, এসব যন্ত্রপাতি প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য অর্জনে কীভাবে ভূমিকা রাখবে এবং প্রকল্প শেষ হওয়ার পর এগুলোর ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণ কীভাবে নিশ্চিত হবে। এ ছাড়া বিদেশে প্রশিক্ষণের জন্য ৮৫ লাখ টাকা ব্যয়ের প্রস্তাবও প্রশ্নের মুখে পড়েছে। দেশের অভ্যন্তরে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও বৈদেশিক প্রশিক্ষণে এত অর্থ ব্যয়ের যৌক্তিকতা নিয়ে আলোচনা প্রয়োজন বলে মনে করছেন কমিশনের কর্মকর্তারা।

প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতির চিত্রও আশানুরূপ নয় বলে নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতি ৮০ শতাংশ দেখানো হলেও আর্থিক অগ্রগতি মাত্র ৭১ দশমিক ৯১ শতাংশ। অর্থাৎ কাজের তুলনায় ব্যয়ের সামঞ্জস্য নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, প্রকল্পটি দেশের আট বিভাগের ১৮ জেলার ৬৩ উপজেলায় বাস্তবায়িত হচ্ছে। এর মধ্যে উপকূলীয়, খরাপ্রবণ ও বন্যাপ্রবণ এলাকাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় জলবায়ু সহিষ্ণু প্রযুক্তিভিত্তিক মাছচাষ, বিল নার্সারি, অভয়াশ্রম, পোনা অবমুক্তকরণ, বিকল্প কর্মসংস্থান, ইনসুলেটেড বক্স বিতরণ এবং বাজার অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম রয়েছে।

সূত্র বলছে, প্রকল্পের আওতায় ২ হাজার ৩৫০টি মাছচাষ প্রদর্শনী খামার, ১৮৫টি বিল নার্সারি, ৫৫টি অভয়াশ্রম এবং ৬৮ হেক্টর জলাশয় পুনঃখননের পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া ১ হাজার ১০০ জনকে বিকল্প কর্মসংস্থানের সহায়তা, ১ হাজার ৪৫০টি ইনসুলেটেড মাছ পরিবহন বক্স বিতরণ এবং ১৪টি বাজারে মিনি ফিশ প্রসেসিং ইউনিট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

fish-3

পরিকল্পনা কমিশনের কৃষি, পানি সম্পদ ও পল্লি প্রতিষ্ঠান বিভাগের সদস্য (সচিব) মো. মাহমুদুল হোসাইন খান বলেন, প্রকল্পের দ্বিতীয় সংশোধনীতে ধানক্ষেতে মাছচাষ প্রদর্শনী, গলদা চিংড়ি উৎপাদন, মাছের খাদ্য তৈরির মেশিন বিতরণ, খাঁচায় তরল অ্যারেটর এবং বৈদেশিক প্রশিক্ষণসহ কয়েকটি নতুন কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এসব খাতে ব্যয় বৃদ্ধির যৌক্তিকতা এবং প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্যের সঙ্গে এর সামঞ্জস্য বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, স্থানীয় মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মী ও প্রাতিষ্ঠানিক কর্মীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর প্রস্তাব এসেছে। একই সঙ্গে মাঠ দিবস, অভিজ্ঞতা বিনিময় সফর, মেলা ও প্রচারণা, শ্রমিক মজুরি এবং আউটসোর্সিং খাতে অতিরিক্ত বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। এসব ব্যয়ের বাস্তব প্রয়োজনীয়তা ও কার্যকারিতা স্পষ্ট করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ খাতে বরাদ্দের চেয়েও বেশি ব্যয় হয়েছে। এরপরও নতুন করে বড় অঙ্কের অর্থ বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া জলবায়ু সহিষ্ণু প্রযুক্তি স্থাপন, পোনা মাছ অবমুক্তকরণ, বিল নার্সারি ও জলাশয় পুনঃখনন খাতে অতিরিক্ত ব্যয় চাওয়া হয়েছে। মিনি প্রসেসিং প্লান্ট নির্মাণে আগের বরাদ্দ ব্যয় না হলেও নতুন করে অর্থ বৃদ্ধির প্রস্তাব এসেছে। এসব বিষয়ে বিস্তারিত যৌক্তিক ব্যাখ্যা প্রয়োজন।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হওয়ায় মৎস্য খাতে অভিযোজনভিত্তিক প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, দেশের লাখ লাখ মানুষ মাছ চাষ ও আহরণের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু এ ধরনের প্রকল্পে বাস্তবায়ন দুর্বল হলে শুধু অর্থের অপচয়ই বাড়বে না, কাঙ্ক্ষিত সুফল থেকেও বঞ্চিত হবেন প্রকৃত উপকারভোগীরা।

তাঁদের মতে, প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং মাঠপর্যায়ে তদারকি বাড়ানো জরুরি। অন্যথায় সময় ও ব্যয় বাড়লেও বাস্তবে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে না। বিশেষ করে বিদেশি ঋণের অর্থ ব্যবহারে আরও সতর্কতা প্রয়োজন। কারণ, এসব ঋণের দায় শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রকেই বহন করতে হয়।

ক্লাইমেট স্মার্ট এগ্রিকালচার অ্যান্ড ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলমের বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

তবে মৎস্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বাস্তব পরিস্থিতির কারণে প্রকল্পে নতুন চাহিদা তৈরি হয়েছে। অনেক এলাকায় অতিরিক্ত কার্যক্রম নিতে হচ্ছে। ফলে ব্যয় বৃদ্ধি অনিবার্য হয়ে পড়েছে। তাঁরা আশা করছেন, প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হলে বাকি কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব হবে এবং মাছের উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যও অর্জিত হবে।

পরিকল্পনা কমিশনের পর্যবেক্ষণ বলছে, শুধু নতুন কার্যক্রম যুক্ত করা বা ব্যয় বাড়ানোই যথেষ্ট নয়। আগে বরাদ্দ পাওয়া খাতগুলোতে কেন কাজ হয়নি, কেন বাস্তবায়ন ধীর ছিল এবং অতিরিক্ত ব্যয় কতটা যৌক্তিক, তার গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা দিতে হবে। অন্যথায় প্রকল্পটির দ্বিতীয় সংশোধনী অনুমোদনের আগে আরও পর্যালোচনা হতে পারে।

এএইচ/এআর