জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
১০ মে ২০২৬, ০৮:৩১ পিএম
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশুর হাটে জাল নোটের বিস্তার ঠেকাতে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একইসঙ্গে পশু ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের জন্য হাট এলাকায় বিনামূল্যে নোট যাচাই ও গণনা সেবা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
রোববার (১০ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব কারেন্সি ম্যানেজমেন্ট থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়।
এতে বলা হয়েছে, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অনুমোদিত পশুর হাটগুলোতে ঈদের আগের রাত পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে নোট যাচাই সেবা চালু রাখতে হবে। অভিজ্ঞ ক্যাশ কর্মকর্তাদের মাধ্যমে এই সেবা পরিচালনা করতে হবে এবং তা হবে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
সার্কুলারে আরও বলা হয়, প্রতিটি বুথে নগদ অর্থ দ্রুত ও নির্ভুলভাবে গণনার সুবিধার্থে নোট কাউন্টিং মেশিন রাখতে হবে। একইসঙ্গে ‘জাল নোট শনাক্তকরণ বুথ’ সম্বলিত ব্যানার দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, রাজধানীর প্রতিটি পশুর হাটের জন্য নির্দিষ্ট ব্যাংক দায়িত্ব পালন করবে। গাবতলী পশুর হাটে ইসলামী ব্যাংক ও সীমান্ত ব্যাংক দায়িত্বে থাকবে। এছাড়া সারুলিয়া বাজারে দায়িত্ব পালন করবে দি প্রিমিয়ার ব্যাংক ও উত্তরা ব্যাংক। ঢাকার বাইরে যেসব জেলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিস নেই, সেখানে সোনালী ব্যাংকের চেস্ট শাখাগুলো সমন্বয়ের মাধ্যমে এ কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পুরো কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নে স্থানীয় সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, পুলিশ, র্যাব ও আনসার বাহিনীর সহযোগিতা নিতে হবে। পাশাপাশি ব্যাংকের শাখাগুলোতে স্থাপিত টিভি মনিটরে ব্যাংক নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য সংবলিত ভিডিও ব্যাংকিং সময়জুড়ে প্রচার করতে হবে।
কোনো বুথে জাল নোট শনাক্ত হলে ২০০৭ সালের জাল নোট সংক্রান্ত নীতিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক নোটটি বাজেয়াপ্ত করবে এবং প্রয়োজনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নেবে।
এছাড়া ঈদুল আজহা শেষে ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে পুরো কার্যক্রমের বিস্তারিত প্রতিবেদন বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিতে বলা হয়েছে। দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাদের জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সার্কুলারে।
টিএই/এএইচ