images

অর্থনীতি

গ্রামীণ ব্যাংক সংশোধন বিল পাস

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

১০ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৫৫ পিএম

নোবেল জয়ী ড. ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ ব্যাংক আইন ২০১৩ সংশোধনের জন্য আনা গ্রামীণ ব্যাংক সংশোধন বিল ২০২৬ পাস হয়েছে।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বিলটি নিয়ে প্রস্তাব তোলা হয়। প্রস্তাব তোলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

সংসদে অর্থমন্ত্রী বলেন, গ্রামীণ ব্যাংক আইন ২০১৩ সংশোধন কল্পে আনা একটি বিল গ্রামীণ ব্যাংক সংশোধন বিল ২০২৬ এই সংসদে উত্থাপনের জন্য অনুমতি প্রার্থনা করছি।

এরপর ডেপুটি স্পিকারের অনুমতি সাপেক্ষে অর্থমন্ত্রী গ্রামীণ ব্যাংক সংশোধন বিল ২০২৬ সংসদে উত্থাপন করে তা অবিলম্বে বিবেচনার প্রস্তাব উত্থাপন করেন। পরে ডেপুটি স্পিকার বিলটি তাৎক্ষণিক বিবেচনার জন্য ভোটে দিলে তা গৃহীত হয়। এরপর বিলটি সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়।

এর আগে, গত বছর মে মাসে গ্রামীণ ব্যাংক আইন, ২০১৩ সংশোধন করে অন্তর্বর্তী সরকার গ্রামীণ ব্যাংক (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর গেজেট প্রকাশ করে।

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দুই সপ্তাহ পর গত ২০ আগস্ট গ্রামীণ ব্যাংকের তৎকালীন চেয়ারম্যান এ কে এম সাইফুল মজিদের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। তার পরিবর্তে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিকসের শিক্ষক আবদুল হান্নান চৌধুরীকে গ্রামীণ ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিয়োগ করা হয়। আবদুল হান্নান চৌধুরী চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েই গ্রামীণ ব্যাংক আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেন, যা এতদিন পর অধ্যাদেশ আকারে জারি করা হয়েছে।

অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, পরিচালকদের মেয়াদ আগেও তিন বছর ছিল, এখনো তা-ই আছে। একজন পরিচালক পরপর দুই মেয়াদে পরিচালক থাকতে পারবেন। তিন বছরের বিরতি দিয়ে আবার তাদের পরিচালক হওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। অধ্যাদেশে গ্রামীণ ব্যাংকের এমডির বয়সও সর্বোচ্চ ৬৫ বছর করা হয়েছে, এতদিন যা ছিল ৬০ বছর।

আগে গ্রামীণ ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিয়োগের ক্ষমতা সরকারের হাতে থাকলেও নতুন অধ্যাদেশ পাস হওয়ার পর চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন পর্ষদ সদস্যদের মধ্য থেকে। এমনকি দায়িত্বে অক্ষম হলে চেয়ারম্যানের স্থলাভিষিক্ত কাউকে মনোনয়নের ক্ষমতাও থাকছে না সরকারের হাতে। পর্ষদ সদস্যদের এ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

এমআইকে/এফএ