images

অর্থনীতি

৩ মাসের জ্বালানি মজুতের উদ্যোগ সরকারের

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১৩ পিএম

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, আজ থেকে শপিং মল ও বিপণিবিতান সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। মার্কেট ও শপিং মল খোলা রাখার সময় এক ঘণ্টা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

আজ রোববার (৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, এপ্রিল মাসে সব ধরনের জ্বালানি চাহিদা পূরণের প্রস্তুতি সরকারের রয়েছে। পাশাপাশি আগামী তিন মাসের জ্বালানি চাহিদা মজুতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, আগামী ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত ডিজেলের চাহিদা সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকবে। এ সময় কৃষকেরা যেন প্রয়োজনীয় ডিজেল পান, সে বিষয়ে জেলা প্রশাসকদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

অমিত আরও জানান, এপ্রিল মাসের ডিজেল চাহিদা এরইমধ্যে কাভার্ড রয়েছে। নতুন কয়েকটি জ্বালানি উৎস শনাক্ত করা হয়েছে এবং সেগুলো থেকে সরবরাহ নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী তিন মাসের জ্বালানি মজুত নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

সবাইকে জ্বালানি সাশ্রয়ে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কোনোভাবেই যেন কৃষকেরা জ্বালানি সংকটে না পড়েন, তা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: দোকানপাট ও শপিংমল খোলা রাখার সময়সীমা এক ঘণ্টা বাড়ল

গত বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট জ্বালানিসংকটের প্রেক্ষাপটে সন্ধ্যা ৬টায় দেশের সব দোকানপাট ও শপিংমল বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল মন্ত্রিসভা। তবে রাত ৮টা পর্যন্ত ব্যবসা করার সুযোগ চেয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির নেতারা।

তারা বলছেন, প্রয়োজনে সকাল ৯টার পরিবর্তে বেলা ১১টায় দোকানপাট খোলা রাখতে চান। তবে সন্ধ্যা ৬টার পরিবর্তে রাত ৮টা পর্যন্ত ব্যবসা করার সুযোগ চান তারা।

ব্রিফিংয়ে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, দোকান মালিক সমিতি আমাদের কাছে আবেদন করেছিল যাতে তাদের কমপক্ষে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার সুযোগ দেওয়া হয়। মন্ত্রিসভা বৈঠকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার সিদ্ধান্ত হলেও প্রধানমন্ত্রী দোকান মালিক সমিতির আবেদন বিবেচনা করে পুনর্মূল্যায়ন করে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। জরুরি সেবা যারা দেয়, তারা এর আওতার বাইরে থাকবে।

তিনি বলেন, একই সঙ্গে সবাইকে বলা হলো, নিজ বাসাবাড়ি ও কর্মস্থলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় করি, তাহলে ইনশাআল্লাহ আগামী দিনে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সহজ হবে।

এআর