নিজস্ব প্রতিবেদক
০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫০ পিএম
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে জাপান–বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।
তিনি বলেন, এই চুক্তি ভবিষ্যতে অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ইপিএ আলোচনা এগিয়ে নিতে রেফারেন্স হিসেবেও ভূমিকা রাখবে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর দফতরে জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশন-এর কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভ কাজুইকি কাটাওকা-এর সঙ্গে বৈঠককালে তিনি এসব কথা বলেন।
বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং পারস্পরিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধির সম্ভাবনা ও সুযোগ তুলে ধরে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, অবকাঠামো উন্নয়ন, শিল্পায়ন এবং রফতানি বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা কামনা করেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্থিতিশীল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, দক্ষ জনশক্তি এবং বিনিয়োগবান্ধব নীতিমালা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করেছে।
আরও পড়ুন: এক লাফে ১২ কেজির এলপি গ্যাসে দাম বাড়ল ৩৮৭ টাকা
বৈঠকে কাজুইকি কাটাওকা বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশে বিনিয়োগ পরিবেশ আরও উন্নত হয়েছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, জাপান–বাংলাদেশ ইপিএ চুক্তি স্বাক্ষর হলে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের সম্ভাবনা আরও বাড়বে। ইতোমধ্যে অনেক জাপানি বিনিয়োগকারী বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখিয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, জাপানি বিনিয়োগ দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তৃতীয় টার্মিনাল এবং মেট্রোরেলের মতো বড় অবকাঠামো প্রকল্পে জাপানি বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ রয়েছে।
দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে জেটরোর সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশি পণ্য জাপানের বাজারে আরও বিস্তারে সংস্থাটি ভূমিকা রাখবে।
বৈঠকের শেষে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও জাপানের বিদ্যমান সুদৃঢ় অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে যৌথভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
এমআর /এআরএম