নিজস্ব প্রতিবেদক
০৭ মার্চ ২০২৬, ০৮:০৮ পিএম
আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকারি ও সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে দেশের সব কাস্টমস স্টেশন ও সংশ্লিষ্ট ব্যাংক শাখা খোলা রাখার দাবি জানিয়েছেন তৈরি পোশাক খাতের রফতানিকারকরা। রফতানি বাণিজ্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিদেশি ক্রেতাদের কাছে পণ্য পৌঁছে দিতে এ দাবি জানানো হয়েছে।
পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) সম্প্রতি এ বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর একটি চিঠি পাঠিয়েছে। সংগঠনটির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে ১৭ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত (ঈদের দিন ছাড়া) চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজসহ দেশের সব কাস্টমস স্টেশন, সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর কার্যক্রম চালু রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, তৈরি পোশাক খাত সম্পূর্ণভাবে সময় ও ফ্যাশননির্ভর। বিদেশি ক্রেতাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পণ্য জাহাজীকরণ করতে না পারলে রফতানি আদেশ বাতিল হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এতে একদিকে উদ্যোক্তারা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন। অন্যদিকে দেশ হারায় গুরুত্বপূর্ণ বৈদেশিক মুদ্রা।
বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে রফতানি বাণিজ্যের গতি ধরে রাখতে বন্দর, কাস্টমস ও ব্যাংকিং কার্যক্রমের নিরবচ্ছিন্ন সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা জানান, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতা ছাড়া এ খাতের রফতানি সক্ষমতা বজায় রাখা সম্ভব নয়। নির্ধারিত সময়ে শিপমেন্ট সম্পন্ন করতে না পারলে শুধু রফতানি আদেশ বাতিলই নয়, দীর্ঘমেয়াদে বিদেশি ক্রেতাদের আস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
উদ্যোক্তারা বলেন, অতীতের মতো এবারও ঈদের ছুটিতে কাস্টমস ও বন্দরের কার্যক্রম চালু রাখা হলে রফতানি বাণিজ্য সচল রাখতে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা প্রত্যাশা করছেন পোশাক মালিকরা।
এমআর/ক.ম