নিজস্ব প্রতিবেদক
০৭ মার্চ ২০২৬, ০৫:৪৫ পিএম
রমজান এলেই ইফতারের টেবিলে বাড়তি আকর্ষণ হয়ে ওঠে বিভিন্ন ধরনের শরবত। লেবু, বেল কিংবা ইসফগুলের পাশাপাশি তরমুজ ও বাঙ্গির শরবত অনেকের পছন্দ। গরমের শুরু আর রোজার ক্লান্তি মিলিয়ে রসালো এই ফল দুটি এখন রাজধানীর বাজারগুলোতে বেশ চাহিদা পাচ্ছে।
আজ শনিবার (৭ মার্চ) বিকালে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সড়কের পাশে তরমুজ ও বাঙ্গি পসরা সাজিয়ে বিক্রির দৃশ্য দেখা গেছে।
ইফতারের আগে ফলের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় বাড়ছে। বিশেষ করে তরমুজ ও বাঙ্গি কিনতে অনেকেই থামছেন ফলের দোকানে। বিক্রেতাদের ভাষ্য, রোজা শুরুর পর থেকেই এই দুই ফলের বিক্রি ভালো হচ্ছে।
বাজারে এখন তরমুজের মৌসুম শুরু হয়েছে। তবে শুরুতেই দাম স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। অধিকাংশ বাজারে তরমুজ কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি তরমুজের দাম ৭০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে। সেই হিসেবে আকারভেদে বড় তরমুজের দাম পড়ছে ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা।
ক্রেতাদের অনেকেই বলছেন, গরমে শরীর ঠাণ্ডা রাখতে এবং ইফতারে সতেজতা পেতে তরমুজের শরবত বেশ জনপ্রিয়। তাই দাম কিছুটা বেশি হলেও অনেকে কিনছেন।
অন্যদিকে বাঙ্গিও এখন বাজারে ভালো বিক্রি হচ্ছে। কোথাও কেজি দরে আবার কোথাও প্রতিটির দাম হিসেবে বিক্রি হচ্ছে এই ফল। কেজি দরে বাঙ্গির দাম পড়ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা। আকারভেদে একটি বাঙ্গির দাম ১০০ থেকে ২০০ টাকার মধ্যে।
ফল বিক্রেতারা জানান, ইফতারের সময় শরবত তৈরির জন্য অনেকেই তরমুজ ও বাঙ্গি কিনছেন। সামনে গরম আরও বাড়লে এবং মৌসুম পুরোপুরি শুরু হলে এসব ফলের দাম কিছুটা কমতে পারে।
ক্রেতাদের মতে, ইফতারের টেবিলে ঠাণ্ডা শরবত রোজার ক্লান্তি দূর করতে বেশ স্বস্তি দেয়। তাই রমজানজুড়ে তরমুজ ও বাঙ্গির চাহিদা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এমআর/ক.ম