images

অর্থনীতি

৩০ নভেম্বর পর্যন্ত খেলাপি ঋণও বিশেষ নীতি সুবিধার আওতায়

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

২৫ নভেম্বর ২০২৫, ১০:০৫ এএম

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক কাঠামো পুনর্গঠনে নতুন নীতি সহায়তা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। চলতি বছরের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত যেসব ঋণ খেলাপি অবস্থায় রয়েছে, সেগুলোও বিশেষ সুবিধায় পুনঃতফসিলের সুযোগ পাবে। 

সোমবার (২৪ নভেম্বর) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বিরূপমানে থাকা যেকোনো খেলাপি ঋণ সর্বোচ্চ ১০ বছর মেয়াদে পুনঃতফসিল করা যাবে, যার মধ্যে দুই বছর পর্যন্ত গ্রেস পিরিয়ড রাখা সম্ভব। ফলে খেলাপি ঋণগ্রহীতারাও নতুন করে বিশেষ পুনঃতফসিল সুবিধা গ্রহণের সুযোগ পাবেন।

এছাড়া অশ্রেণিকৃত মেয়াদি ঋণ- যার মধ্যে পূর্বে পুনঃতফসিল করা ঋণও অন্তর্ভুক্ত, এসব ক্ষেত্রে বিআরপিডি সার্কুলার নং ১৬/২০২২-এ নির্ধারিত সময়ের অতিরিক্ত দুই বছর মেয়াদ বাড়িয়ে পুনর্গঠনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

বিশেষ এক্সিট সুবিধার ক্ষেত্রেও শিথিলতা আনা হয়েছে। পূর্বের নির্দেশনা অনুযায়ী, ডাউনপেমেন্ট গ্রহণের পাশাপাশি এক্সিট সুবিধার মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ানো যাবে। কিস্তি পরিশোধের নিয়ম অপরিবর্তিত থাকলেও বছরে মোট পরিশোধের পরিমাণ কমপক্ষে ঋণের ২০ শতাংশ হতে হবে। 

এই সময় সংশ্লিষ্ট ঋণ ‘এক্সিট (এসএমএ)’ ক্যাটাগরিতে প্রদর্শন করতে হবে এবং সাধারণ প্রভিশন সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক থাকবে। প্রকৃত আদায় না হলে পূর্বে রাখা স্পেসিফিক প্রভিশন আয় হিসেবে গণ্য করা যাবে না।

তবে তিনটি মাসিক বা একটি ত্রৈমাসিক কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ হলে ঋণটি নিয়মিত শ্রেণিকরণ প্রক্রিয়ার আওতায় নিতে হবে এবং সম্পূর্ণ পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত ওই প্রতিষ্ঠানের নামে নতুন ঋণ অনুমোদন দেওয়া যাবে না।

বিষয়টি নিয়ে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নতুন নীতিমালা ব্যাংকগুলোর হাতে ঋণ পুনরুদ্ধারে বাড়তি নমনীয়তা দিলেও সঠিকভাবে বাস্তবায়ন না হলে ভবিষ্যতে ঋণঝুঁকি আরও বৃদ্ধি পাওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

টিএই/এএইচ