জেলা প্রতিনিধি
৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৯ পিএম
চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে জেলা মহানগরের তুলনায় পার্বত্য তিন জেলার পাশের হার প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। একই সঙ্গে তিনটি কলেজের পাশের হার শূন্য রেকর্ড করা হয়েছে। সূজনশীল পদ্ধতিতে পরীক্ষা চালুর পর এবারই বোর্ডটিতে পাসের হার সর্বনিম্ন।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) শিক্ষা বোর্ড থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, জেলাভিত্তিক ফলে সবচেয়ে কম পাসের হার খাগড়াছড়িতে। এ জেলায় পাসের হার ২৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ। এ ছাড়া রাঙামাটিতে ৩৩ দশমিক ২৪ শতাংশ এবং বান্দরবানে ৪১ দশমিক ৪২ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। অন্যদিকে, চট্টগ্রাম মহানগরীতে পাসের হার ৬৬ দশমিক ২০ শতাংশ।
২০২৬ সালের পরীক্ষায় বোর্ডটিতে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশ। গত বছরের তুলনায় পাসের হার কমেছে শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ পয়েন্ট। একই সঙ্গে কমেছে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে দুই হাজার ৯২৯ জন, যা গত বছরের তুলনায় ৩ হাজার ১৬৮ জন কম।
এবার চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১১৪টি কেন্দ্রে ২৮০টি কলেজের ৯৬ হাজার ৩৩৫ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। তাদের মধ্যে ছেলেদের পাসের হার ৪৭ দশমিক ৬২ শতাংশ এবং মেয়েদের ৫৩ দশমিক ৮৯ শতাংশ।
পাশ নেই তিন কলেজে
২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় তিনটি কলেজ থেকে অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। এসব কলেজের মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন মাত্র ৯ জন। এর মধ্যে দুটি কলেজের দুইজন করে এবং অন্য একটি কলেজের পাঁচজন পরীক্ষার্থী ছিলেন।
শূন্য পাসের তালিকায় রয়েছে চট্টগ্রামের মেরন সান কলেজ, সৃজনী ট্রাস্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং কক্সবাজারের বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ।
বোর্ডের ফলাফল অনুযায়ী, মেরন সান কলেজ থেকে দুজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিলেও কেউ পাস করেননি। সৃজনী ট্রাস্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের পাঁচজন পরীক্ষার্থীর কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেননি। অন্যদিকে, কক্সবাজারের বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া দুজন শিক্ষার্থীর ফলও একই।
প্রতিনিধি/এসআই