Dhaka Mail Logo

সারাদেশ

টুপটুপ ট্র্যাজেডি: ডিএনএ পরীক্ষায় মিলল ১০ জনের পরিচয়

জেলা প্রতিনিধি

২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৭ পিএম

কক্সবাজারের উখিয়ার পাটুয়ারটেকে টুপটুপ রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০ জনের পরিচয় ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) তাদের মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় নিখোঁজ স্কুলশিক্ষিকা নাসরিন আক্তার মুক্তার এখনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) পুড়ে যাওয়া মরদেহের নমুনা সংগ্রহ করে ডিএনএ পরীক্ষা করে। পরে স্বজনদের নমুনার সঙ্গে মিলিয়ে নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।

শনাক্ত হওয়া ১০ জনের মধ্যে ঢাকার দুটি পরিবারের সদস্য রয়েছেন। তাদের মধ্যে একটি পরিবারের চারজন এবং অন্য পরিবারের ছয়জন নিহত হয়েছেন।

0b015f45-63b6-437f-9140-aaf74ec69abb

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকার শ্যামলীর গ্র্যান্ড পাওয়ার লিমিটেডের কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাহিদুর রহমান (৪১), তার স্ত্রী আফসানা মতিন (৩৬) এবং তাদের দুই মেয়ে রোজাইনা ইনায়া (৯) ও মুনাইনা ইহানা (৬)।

অন্য পরিবারের নিহত সদস্যরা হলেন মৌলিতা মেহজাবিন আলভি (১৯), তার কাজিন লায়লা জাহান নাবিলা (২৫), ইসরাত জাহান মালিহা (২৭), আরেক কাজিন ফারিয়া কবির (৩৩), ফারিয়ার ছয় বছর বয়সী ছেলে মোহাম্মদ ফাইজান নূর এবং ফারিয়ার ভাই মোহাম্মদ নাফিস তেহামি (২৪)। তারা ঢাকার বনশ্রী ও খিলগাঁও এলাকায় বসবাস করতেন।

আরও পড়ুন

১০ দিন পর টুপটুপ রিসোর্টের ধ্বংসাবশেষে নিখোঁজ শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

নিহত নাফিস তেহামি ‘জেরিফ’ নামেও পরিচিত ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের চীনা ভাষা ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

মৌলিতা মেহজাবিন আলভি ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে পপুলেশন অ্যান্ড পাবলিক হেলথ সায়েন্সেস বিষয়ে পড়াশোনা করতেন। লায়লা জাহান নাবিলা ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী।

b157377d-a9f7-4c18-a67d-4b0c8c73f12d

মরদেহ শনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রিমন ঘোষ জানান, মঙ্গলবার মরদেহগুলো পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে।

গত ১৭ অক্টোবর সকালে উখিয়ার পাটুয়ারটেকে টুপটুপ রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ১০ জন নিহত হন। আগুনে মরদেহগুলো পুড়ে যাওয়ায় শুরুতে তাঁদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে সিআইডির ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।

এ ঘটনায় এখনো নিখোঁজ রয়েছেন স্কুলশিক্ষিকা নাসরিন আক্তার মুক্তা। তার সন্ধান না পাওয়ায় উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন স্বজনেরা।

প্রতিনিধি/এসএস