জেলা প্রতিনিধি
২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০০ পিএম
ভোলায় পৃথক তিনটি ঘটনায় একদিনে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জেলার সদর, দৌলতখান ও বোরহানউদ্দিন উপজেলা থেকে তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এর মধ্যে এক কিশোরের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। অন্যদিকে, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন এক যুবক ও দুই সহোদর ভাই। এসব ঘটনায় পৃথক অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।
ভোলা পুলিশ সুপার শহিদুল্লাহ কাওছার এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার সকালে ভোলা সদর উপজেলার পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে নাহিদ নামের এক কিশোরের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নাহিদ ওই এলাকার নাজিম মিয়ার ছেলে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, প্রেমিকার অন্যত্র বিয়ে হওয়ার খবর পেয়ে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে বাড়ির আঙিনার একটি গাছের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে সে আত্মহত্যা করে থাকতে পারে।
একই সময়, দৌলতখান উপজেলার চর খলিফা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের একটি সুপারি বাগান থেকে রাকিব হোসেন নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি ওই এলাকার নূরনবী মিয়ার ছেলে। পুলিশের ধারণা, ভোররাতে সুপারি চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।
এদিকে, বেলা ১২টার দিকে বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে গাছ কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আব্দুল রহিম ও রাকিব হোসেন নামের দুই সহোদরের মৃত্যু হয়। তাঁরা তজুমদ্দিন উপজেলার শম্ভুপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের আলম মিয়ার ছেলে।
পুলিশ জানায়, দুই ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে কাচিয়া ইউনিয়নের ওই এলাকায় গাছ কাটতে গিয়েছিলেন আলম মিয়া। এ সময় তিনি অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। বাবাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তাঁর দুই ছেলেও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁদের মৃত্যু হয়। তবে প্রাণে বেঁচে যান আলম মিয়া।
একই দিনে জেলার তিন উপজেলায় পৃথক ঘটনায় চারজনের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রতিটি ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
প্রতিনিধি/ এজে