উপজেলা প্রতিনিধি
২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৯ পিএম
যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে আমদানি করা পণ্য খালাসের চেষ্টার অভিযোগে প্রায় ৫৫ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকির তথ্য পেয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় ঘোষণাবহির্ভূত পণ্যসহ একটি কাভার্ড ভ্যান আটক করা হয়েছে। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের লাইসেন্স চূড়ান্তভাবে বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কাস্টমস সূত্র।
কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, ঢাকার আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স রেড গ্রিন ইন্টারন্যাশনাল ভারত থেকে ২৫ প্যাকেজে ৫০০ কেজি বাটার ফ্লেভার আমদানি করে। চালানটি খালাসের দায়িত্বে ছিল বেনাপোলের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মেসার্স আহাদ এন্টারপ্রাইজ।
রোববার (১৮ অক্টোবর) রাতে বেনাপোল বন্দরের ১৪ নম্বর শেডের সামনে থেকে ঘোষণাবহির্ভূত পণ্যসহ ঢাকা মেট্রো-ট-১৩-৬৫৪১ নম্বরের একটি কাভার্ড ভ্যান আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বেনাপোল কাস্টমস হাউসের গোয়েন্দা সংস্থা আইআরএম অভিযান চালিয়ে গাড়িটি আটক করে।
পরে কাভার্ড ভ্যানের তালা খুলে ৬৭টি প্যাকেজে বিভিন্ন ধরনের পণ্য পাওয়া যায়। জব্দ করা পণ্যের মধ্যে রয়েছে ২৫টি প্লাস্টিকের জারে ৫০০ কেজি ফ্লেভার, ২৫ কার্টনে ১ লাখ ১৪ হাজার পিস ডিসপোজেবল সিরিঞ্জ, দুই কার্টনে ১১০ দশমিক ৭৭ কেজি ইমিটেশন পণ্য, পাঁচ কার্টনে ৩০০টি শাড়ি, ১৪টি ওড়না, ১০টি কামিজ, ৯টি সালোয়ার, ৩৮টি থ্রিপিস, ১৭৯টি টি-শার্ট, ১২২টি প্যান্ট এবং আটটি ড্রামে ২০০ কেজি পাউডার।
কাস্টমস কর্তৃপক্ষের দাবি, ঘোষণাবহির্ভূত পণ্য খালাসের মাধ্যমে প্রায় ৫৫ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকির তথ্য পাওয়া গেছে। দীর্ঘদিন ধরে রাজস্ব ফাঁকির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মেসার্স আহাদ এন্টারপ্রাইজের লাইসেন্স চূড়ান্তভাবে বাতিল করা হয়েছে বলেও সূত্র জানিয়েছে।
বেনাপোল কাস্টমস হাউসের কমিশনার ফাইজুর রহমান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ঘোষিত ফ্লেভারের সঙ্গে থাকা ঘোষণাবহির্ভূত পণ্যসহ কাভার্ড ভ্যানটি আটক করা হয়েছে। এ চালানে প্রায় ৫৫ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকির তথ্য পাওয়া গেছে।
প্রতিনিধি/এসএস