জেলা প্রতিনিধি
০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৩ পিএম
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খানের হস্তক্ষেপে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক পদে চাকরি ফিরে পেয়েছেন বসতভিটা না থাকা ঝিনাইদহের মিশন আচার্য।
বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে ঝিনাইদহ পৌর শহরের কলাবাগান পাড়ায় এক অনুষ্ঠানে মায়ের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন রাশেদ খান।
ঝিনাইদহ শহরের কলাবাগানে মিশন আচার্যের নিজ বাড়িতে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তার ও মা ময়না আচার্যের হাতে প্রাথমিক শিক্ষকের নিয়োগ পত্রটি তুলে দেওয়া হয়। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগ থেকে পড়াশোনা শেষ করে তিনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিয়ে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হন।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৫’-এ চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হওয়া সত্ত্বেও স্থায়ী বসতভিটা না থাকার কারণে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চাকরিপ্রার্থী মিশন আচার্য নিয়োগপত্র হাতে পাননি। এ খবরে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। অবশেষে রাশেদ খাঁন নিজে উদ্যোগী হয়ে শিক্ষামন্ত্রী বরাবর ডিও লেটার দেন এবং মিশন আচার্যকে সঙ্গে নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি দেখা করেন।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপি সভাপতি আব্দুল মজিদ, জেরা, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমজাদ হোসেনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ।
এ সময় মিশন আচার্য সবাইকে ধন্যবাদ দিয়ে তার আগামী দিনের জন্য সবার কাছে দোয়া চান ।
মিশন আচার্যের মা ময়না আচার্য বলেন, এ অনুভূতি ব্যক্ত করার মতো না। যে কষ্ট করে তাঁকে আমি লেখাপড়া করিয়েছি, সেই কষ্ট আজ সার্থক হয়েছে।
জেলা বিএনপি সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ মজিদ বলেন, আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এ অর্জন সম্ভব হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান বলেন, একজন মেধাবী ছাত্র মিশন আচার্য । সে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরিক্ষায় লিখিত ও ভাইভা দিয়ে ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় ১৭তম হয়ে উত্তীর্ণ হয় । কিন্তু স্থায়ী ঠিকানা জটিলতায় তার নিয়োগ কার্ড আটকে যায় । তারপর আজকের দিনের মধ্যে দিয়ে সফল পরিসমাপ্তি হয়েছে । সবাই মিশনের জন্য দোয়া করবেন ।
প্রতিনিধি/ এজে