জেলা প্রতিনিধি
০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩১ পিএম
রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার একটি হত্যা মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন জেলা দায়রা জজ আদালত। একই সঙ্গে আসামিকে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে রাঙামাটি জেলা দায়রা জজ মো. আহসান তারেক এ আদেশ দেন। মামলার আদেশে আদালত আসামির মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত তাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার জন্য জেল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত একমাত্র আসামি হলেন মোহাম্মদ মাহিবুর কামাল ওরফে মহিবুল্লাহ (২৩)। সে রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার কাপ্তাই ইউনিয়ন নতুনবাজার জাকির হোসেন স-মিল এলাকার মো. মনির উদ্দিনের ছেলে। তবে তার স্থায়ী ঠিকানা নেত্রকোণার মদন উপজেলার কাইটাইল গ্রামে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, হত্যা মামলার বাদী আমেনা বেগমের কন্যা ও ভিকটিম হাছিনা বেগম সুমির (২৮) বিবাহবিচ্ছেদের পর মাদককারবারি ও অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়ে। পরে পারিবারিক চাপে হাছিনা বেগম মাদককারবারি থেকে সরে আসতে চাইলেও আসামির সঙ্গে তার দ্বন্দ্ব শুরু হয়। এরপর ২০২২ সালের ১১ মার্চ নিখোঁজ হন হাছিনা বেগম। পরদিন ১২ মার্চ বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে কাপ্তাই ইউনিয়নের বিএফআইডিসি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত টয়লেটের ভেতরে হাছিনা লাশ পাওয়া যায়।
ঘটনার পর ২০২২ সালের ১৩ মার্চ কাপ্তাই থানায় কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে এজাহার দায়ের করেন মামলার বাদী আমেনা বেগম। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) মো. শাহীনুর রহমান এজাহার নামীয় আসামি রুমি বেগম, বাবলু বড়ুয়া এবং মোসা. হাজেরা বেগমকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে আসামি মাহিবুর কামাল ওরফে মহিবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এ মামলায় দীর্ঘ তদন্ত কার্যক্রম শেষে আদালত একমাত্র আসামির বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড রায় ঘোষণা করেন।
রাঙামাটি জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নাজির প্রসাদেব চাকমা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বিজ্ঞ আদালত আসামির মৃত্যুদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দিয়েছেন।
প্রতিনিধি/ এজে