Dhaka Mail Logo

সারাদেশ

শিক্ষক দিবসে কলেজ শিক্ষককে হাতুড়িপেটা যুবদলকর্মীর

জেলা প্রতিনিধি

০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪২ পিএম

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার নওদা আজমপুরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক কলেজ শিক্ষককে হাতুড়ি ও লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে মারাত্মকভাবে জখম করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় যুবদলকর্মী মিজান ও তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে।  

সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুর দেড়টার দিকে কলেজে ক্লাস শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে হামলার শিকার হন তিনি। তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহত শিক্ষকের নাম মো. মোখলেসুর রহমান। তিনি নওদা আজমপুর গ্রামের মৃত খবির উদ্দিনের ছেলে এবং আজমপুর টেকনিক্যাল কলেজের হিসাববিজ্ঞান (একাউন্টিং) বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে যুবদলকর্মী মিজানের সঙ্গে ওই শিক্ষকের বিরোধ চলছিল। সোমবার দুপুরে কলেজে ক্লাস শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে নওদা আজমপুর মোড়ে পৌঁছালে আগে থেকে ওত পেতে থাকা মিজান এবং তার অনুসারী রনি, কামাল, ইন্টু, বিপ্লব,হাসান, সাগর, ময়ি খা ও মিঠুসহ কয়েকজন তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। 

এসময় হামলাকারীরা হাতুড়ি ও লোহার রড দিয়ে শিক্ষককে এলোপাতাড়ি পেটাতে থাকলে তিনি গুরুতর জখম হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়।  

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিক্ষকের দাবি, জমিজমা নিয়ে মামলা চলছে, এর মাঝেই মিজান তার কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা চায়। সেই টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় তার উপরে হত্যার উদ্দেশে এই হামলা চালানো হয়।

মিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শহিদুল ইসলাম শহীদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। 

তিনি জানান, জমিজমা নিয়ে বিরোধের জের ধরে মোখলেস নামে এক কলেজ শিক্ষককে পেটানোর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তাদের মধ্যে আগে থেকেই জমি নিয়ে মামলা চলমান রয়েছে। আহত শিক্ষক বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছেন। 

এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও জানান ওসি শহিদুল ইসলাম।

প্রতিনিধি/এএইচ