জেলা প্রতিনিধি
০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১১ পিএম
দিনাজপুরের হাকিমপুরে পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে এক নারীকে বাড়িতে কয়েকদিন আটকে রেখে দলবেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মায়ের করা মামলায় দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মামলার অপর আসামি পলাতক রয়েছেন।
রোববার (৪ অক্টোবর) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাদশা আলম।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, সকালে ভুক্তভোগীর মা হাকিমপুর থানায় অভিযোগ করেন। অভিযোগে বলা হয়, তার মেয়ে পাওনা টাকা চাইতে গেলে গত ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত হাকিমপুর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পালপাড়া এলাকায় মোহাম্মদ রুহুল আমিন ওরফে রিমনের বাড়িতে তাকে আটকে রাখা হয়।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ওই সময়ে রুহুল আমিন ওরফে রিমন, শুকুর আলী (৫৫) ও ফেরদৌস মিয়া (৫০) ওই তরুণীকে ধর্ষণ করেন। এ সময় আসামিরা মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করেন এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখান বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি জানতে পেরে ওই বাড়িতে গিয়ে দুই আসামিকে আটক করেন।
খবর পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ ফোন করা হলে পুলিশ এসে দুজনকে হেফাজতে নেয়। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী তরুণীকেও উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মায়ের এজাহারের ভিত্তিতে হাকিমপুর থানায় গণধর্ষণের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। মামলার পর মোহাম্মদ রুহুল আমিন ওরফে রিমন এবং মো. শুকুর আলীকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। অপর আসামি ফেরদৌস মিয়া পলাতক রয়েছেন।
হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাদশা আলম বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। পলাতক আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
প্রতিনিধি/এলএ