Dhaka Mail Logo

সারাদেশ

পানির নিচে নৌকার বৈঠার সঙ্গে বাঁধা ছিল ব্যবসায়ীর মরদেহ

জেলা প্রতিনিধি

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২৩ এএম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে নিখোঁজের ছয় দিন পর তিতাস নদী থেকে মুকবুল হোসেন গুড্ডু (৩৮) নামে এক ড্রেজার ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার ছলিমাবাদ ইউনিয়নের মিরপুর এলাকায় নদীর পানির নিচে নৌকার বৈঠার সঙ্গে রশি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করেন নারায়ণগঞ্জ নদী ফায়ার স্টেশনের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

নিহত মুকবুল হোসেন উপজেলার ছলিমাবাদ ইউনিয়নের মৃত মোহন মিয়া ব্যাপারীর ছেলে এবং পাঠামারা গ্রামের বাসিন্দা। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। তিনি তিতাস নদীতে বালু উত্তোলনের একটি ড্রেজার ব্যবসার অংশীদার ছিলেন।

মুকবুলের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার পর ড্রেজার থেকে নিখোঁজ হন মুকবুল। এরপর স্বজন ও স্থানীয়রা নদীসহ আশপাশের এলাকায় খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। ওই রাতেই এ ঘটনায় বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।

একই এলাকায় রুবেল মিয়া নামে মুকবুলের আরেক ব্যবসায়িক অংশীদারও নিখোঁজ হন। এতে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। পরে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে রুবেল মিয়াকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। অসুস্থ অবস্থায় তাকে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

মুকবুলের সন্ধান না পাওয়ায় পুলিশ ফায়ার সার্ভিসকে বিষয়টি জানায়। পরে রোববার সকাল ৮টা থেকে মিরপুর এলাকায় তিতাস নদীতে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন নারায়ণগঞ্জ নদী ফায়ার স্টেশনের ডুবুরি দলের সদস্যরা। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা তল্লাশির পর দুপুরের দিকে পানির নিচে নৌকার বৈঠার সঙ্গে রশি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় মুকবুলের মরদেহের সন্ধান পান তারা। পরে সেটি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ ইয়াসিন বলেন, ‘মিরপুর এলাকায় তিতাস নদীতে একজনের মরদেহ থাকতে পারে, এমন তথ্যের ভিত্তিতে সকাল ৮টা থেকে তল্লাশি শুরু করা হয়। দুপুরের দিকে পানির নিচে নৌকার বৈঠার সঙ্গে বাঁধা অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রোববার সন্ধ্যায় জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

প্রতিনিধি/এমআর