জেলা প্রতিনিধি
০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪৮ এএম
জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আপনারা দেশকে ধ্বংস করবেন, সর্বপর্যায়ে আপনারা বেপরোয়া-নির্লজ্জ-বেহায়াপনা করবেন; আর বিরোধী দল বসে বসে আঙুল চুষবে? জনগণের দাবি আদায়ে রাজপথে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। এই লংমার্চ শুধু কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি নয়। জনগণের প্রয়োজন ও দাবির ভিত্তিতেই এ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চের সমাপনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সমালোচনা করেন।
এসময় তিনি বলেন, জ্বালানি সংকটের কারণে সাধারণ মানুষ দুর্ভোগে পড়েছে। মানুষের দৈনন্দিন জীবন থেকে শুরু করে ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্পকারখানায়ও এর প্রভাব পড়ছে। সরকারকে জনগণের এসব সমস্যা সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
জ্বালানি সংকটের পাশাপাশি চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও দুর্নীতি নিয়েও সরকারের সমালোচনা করেন জামায়াত আমির।
তিনি বলেন, দেশে এখনো চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ হয়নি। এসব কারণে দেশের মানুষের কষ্ট আরও বাড়ছে। চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও লুটপাট বন্ধ করতে হবে। জনগণের টাকা এভাবে চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজদের হাতে যেতে দেওয়া যাবে না।
এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ, এবি পার্টি চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, নেজামে ইসলামে পার্টির মহাসচিব মুসা বিন ইজহার, সাবেক সেনা কর্মকর্তা হাসিনুর রহমান, এনসিপি নেতা আসিফ মাহমুদ ভূঁইয়া, জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা আ ন ম শামসুল ইসলাম, চট্টগ্রাম অঞ্চল পরিচালক মাওলানা মোহাম্মদ শাহজাহান, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা শাহজাহান চৌধুরী এমপি, জামায়াত নেতা মাওলানা জহিরুল ইসলাম এমপি, এলডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক ওমর ফারুক, চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের আমির নজরুল ইসলাম, চাকসু ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি প্রমুখ।
এর আগে, এদিন সকাল ৭টার দিকে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বর থেকে ১১ দলীয় জোটের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ শুরু হয়। পথে নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, ফেনী, মিরসরাই ও সীতাকুণ্ডে পথসভা শেষে রাত সোয়া আটটায় লংমার্চ চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে পৌঁছে। সমাপনী সমাবেশে ১১ দলের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেন।
প্রতিনিধি/ এজে