Dhaka Mail Logo

সারাদেশ

সিসি ক্যামেরার সন্দেহ, ৪ খুনের পর বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করেন সিদ্ধার্থ

জেলা প্রতিনিধি

২৫ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৪৯ পিএম

রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী, মেয়ে ও ছোট ছেলেকে হত্যার পর বাসায় সিসি ক্যামেরা থাকার সন্দেহে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন সিদ্ধার্থ। গ্রেফতারের পর তদন্ত কর্মকর্তাদের কাছে তিনি এ তথ্য জানিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেন মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) সনাতন চক্রবর্তী।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও মেয়েকে হত্যার পর সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ দাস নিচে নেমে আসেন। তখন ভোরের আলো ফুটতে শুরু করেছে। এ সময় গণপতি চক্রবর্তীর ছোট ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী প্রিয়ম ঘুম থেকে উঠে বিছানায় বসে ছিলেন। সিদ্ধার্থকে চিনে ফেলায় তাকেও হত্যা করা হয় বলে পুলিশের কাছে দেওয়া জবানবন্দিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

রংপুরে ৪ খুন: পুলিশ কর্মকর্তা ও ‘খুনি’র গায়ে একই শার্ট!

পরে বাসায় সিসি ক্যামেরা থাকার সন্দেহে সিদ্ধার্থ পুরোনো একটি প্লাস দিয়ে নিচতলায় গিয়ে বৈদ্যুতিক মিটারের তার কেটে দেন। এ সময় শর্টসার্কিট হলে মেইন লাইন বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার সময় মুগ্ধ ওপরতলায় ছিলেন বলে তদন্ত কর্মকর্তাদের জানিয়েছেন সিদ্ধার্থ।

মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, ‘লাশ উদ্ধারের পর স্থানীয়দের সহায়তায় সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ দাসকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় বাইরে অনেকে বিভিন্নভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছেন। অভিযুক্ত সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ দাস পুলিশের কাছে ছোটখাটো কিছু বিষয় গোপন করলেও আদালতে পুরো ঘটনার বর্ণনা দিয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এতে বিভ্রান্ত হওয়ার কিছু নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘পুলিশ সঠিকভাবে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে। আশা করছি, দ্রুততম সময়ের মধ্যে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেওয়া সম্ভব হবে।’

প্রতিনিধি/এসএস