Dhaka Mail Logo

সারাদেশ

কেন্দুয়ায় কিশোরী অপহরণ ও ধর্ষণ, রাজধানী থেকে সহযোগী গ্রেফতার

জেলা প্রতিনিধি

২৩ আগস্ট ২০২৬, ০৫:০৬ পিএম

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় দশম শ্রেণির ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরীকে অপহরণ ও ধর্ষণের ঘটনায় সহযোগিতার অভিযোগে জনি (২০) নামের এক যুবককে রাজধানী থেকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। একই অভিযানে অপহৃত কিশোরীকেও উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুরে ময়মনসিংহ র‍্যাব-১৪ এর সদর কোম্পানি কমান্ডার মেজর মীর ইশতিয়াক আমিন সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানান।

এর আগে, শনিবার রাতে রাজধানীর ভাটারা থানার বসুন্ধরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে জনিকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতার জনি কেন্দুয়া উপজেলার চিথোলিয়া গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে।

মামলার বরাত দিয়ে র‍্যাব জানায়, চিথোলিয়া গ্রামের রনি মিয়া (২২) ওই কিশোরীকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। কিশোরী নাবালিকা হওয়ায় তার পরিবার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে রনি, জনিসহ কয়েকজন তাকে অপহরণের পরিকল্পনা করেন।

গত ২০ আগস্ট সকাল সাড়ে সাতটার দিকে কোচিংয়ে যাওয়ার সময় একটি মাইক্রোবাসে তুলে কিশোরীকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে রনি তাকে ধর্ষণ করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় কিশোরীর ভাই বাদী হয়ে কেন্দুয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মামলায় রনির বিরুদ্ধে অপহরণ ও ধর্ষণের এবং জনিসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে।

র‍্যাব জানায়, মামলার পর আসামিরা কিশোরীকে নিয়ে পালিয়ে যান। পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে র‍্যাব। শনিবার রাতে বসুন্ধরা এলাকায় জনির অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে র‍্যাব-১ এর সহযোগিতায় ময়মনসিংহ র‍্যাবের একটি দল তাকে গ্রেফতার করে।

ময়মনসিংহ র‍্যাব-১৪ এর কর্মকর্তা জানান, উদ্ধার কিশোরীকে নিরাপদ হেফাজতে দেওয়া হয়েছে। গ্রেফতার জনিকে রোববার সকালে কেন্দুয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।

কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, জনিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। উদ্ধার কিশোরীর বিষয়ে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

ওসি আরও জানান, এর আগে মামলার আসামি শামীম মিয়া ও ঝর্না আক্তারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি রনি ও রানা পলাতক রয়েছেন। তাদের গ্রেফতারে পুলিশ চেষ্টা করছে।

প্রতিনিধি/এসএস