জেলা প্রতিনিধি
১২ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৩৯ পিএম
জিপিএ-৫ পাওয়ার পাশাপাশি সর্বোচ্চ নম্বর অর্জন করে চাঁদপুর জেলার সেরা তিন শিক্ষার্থী হয়েছেন রূপকথা সাহা জয়া, নাফিমুল হাসান নিহাল ও মারিয়া মাহজাবিন খান। তাদের দুজনের স্বপ্ন প্রকৌশলী ও চিকিৎসক হওয়া; আরেকজনের স্বপ্ন জ্যোতির্বিজ্ঞানে গবেষণা করা।
সোমবার (১০ আগস্ট) কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের ফল প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এ তথ্য জানা যায়। ফল প্রকাশের পর মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) জেলার সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া এই তিন শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা হয় তাদের সাফল্য, পড়াশোনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে। ভালো ফলের পাশাপাশি নিজেদের পছন্দের বিষয়ে উচ্চশিক্ষা নিয়ে দেশের মানুষের জন্য কাজ করার প্রত্যয় জানিয়েছেন তারা।
জেলায় প্রথম রূপকথা, হতে চান চিকিৎসক
চাঁদপুর জেলায় সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছেন মাতৃপীঠ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী রূপকথা সাহা জয়া। জিপিএ-৫ পাওয়ার পাশাপাশি তিনি পেয়েছেন ১ হাজার ২০৯ নম্বর। ভবিষ্যতে চিকিৎসক হয়ে মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে চান রূপকথা।
রূপকথার বাবা চাঁদপুর সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষক অধ্যাপক জীবন কানাই সাহা। মা রূম্পা রানী সাহা গৃহিণী। পরিবারের সঙ্গে চাঁদপুর শহরের মিশন রোড বাগানবাড়ী এলাকার ইন্দ্রলোক বাসায় থাকেন তিনি।
দ্বিতীয় নাফিমুল, স্বপ্ন কম্পিউটার প্রকৌশলী হওয়ার
চাঁদপুরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছেন আল-আমিন একাডেমি স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী নাফিমুল হাসান নিহাল। জিপিএ-৫ পাওয়ার পাশাপাশি তার প্রাপ্ত নম্বর ১ হাজার ২০২। ভবিষ্যতে কম্পিউটার বিজ্ঞানে উচ্চশিক্ষা নিয়ে প্রকৌশলী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চান নিহাল।
নিহালের বাবা মঞ্জুরুল আলম চট্টগ্রামে মৎস্য ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। মা নাছিমা বেগম গৃহিণী। পরিবারের সঙ্গে চাঁদপুর শহরের জোড়পুকুর পাড় এলাকায় থাকেন নিহাল। তাদের গ্রামের বাড়ি হাইমচর উপজেলার দক্ষিণ আলগী গ্রামের খলিফা বাড়ি।
তৃতীয় মারিয়া, স্বপ্ন জ্যোতির্বিজ্ঞানে গবেষণার
জেলায় তৃতীয় সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছেন আল-আমিন একাডেমি স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মারিয়া মাহজাবিন খান। জিপিএ-৫ পাওয়ার পাশাপাশি তিনি পেয়েছেন ১ হাজার ১৯৯ নম্বর। ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষা নিয়ে জ্যোতির্বিজ্ঞানে গবেষক হতে চান মারিয়া। গবেষণার মাধ্যমে মানুষের কল্যাণে কাজ করার স্বপ্নও রয়েছে তাঁর।
মারিয়ার বাবা মো. মোশতাক আহমেদ খান একজন ব্যবসায়ী। মা শেখ খাদিজা বেগম ফরক্কাবাদ ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক। বাবা-মায়ের সঙ্গে চাঁদপুর শহরের হাজী মহসীন রোডের প্রিমিয়ার টাওয়ারে থাকেন মারিয়া।
প্রতিনিধি/এসএস