জেলা প্রতিনিধি
০৫ আগস্ট ২০২৬, ০৯:০৯ এএম
ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ, ড্রেজার ও বালুবাহী নৌযান জব্দ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে ১০টি সরকারি দফতরে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহিবুল্লাহ খোকন এ নোটিশ পাঠান।
নোটিশের প্রাপকদের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান, ভোলার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ভোলা সদর, দৌলতখান, বোরহানউদ্দিন, লালমোহন, তজুমদ্দিন ও চরফ্যাশন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা এবং বিআইডব্লিউটিএর ভোলা কার্যালয়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা।
নোটিশে বলা হয়, বালুমহল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ লঙ্ঘন করে দীর্ঘদিন ধরে মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদী থেকে ড্রেজারের মাধ্যমে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি নদীভাঙন তীব্র হচ্ছে।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ১ আগস্ট একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে ভোলার বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ নদীভাঙনের চিত্র উঠে এসেছে। এতে বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে এবং বসতবাড়ি, কৃষিজমি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও কবরস্থান হুমকির মুখে পড়েছে।
নোটিশে দাবি করা হয়েছে, অবিলম্বে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করতে হবে। একই সঙ্গে ব্যবহৃত ড্রেজার, বালুবাহী নৌযান ও অন্যান্য সরঞ্জাম জব্দ, জড়িত ব্যক্তি বা চক্রের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং নদীতীর রক্ষায় নিয়মিত নজরদারি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা নিশ্চিত করতে হবে।
নোটিশ পাওয়ার তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যথায় জনস্বার্থ ও পরিবেশ রক্ষায় উচ্চ আদালতে রিটসহ প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
অ্যাডভোকেট মোহিবুল্লাহ খোকন বলেন, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে ভোলায় নদীভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে পরিবেশ ও জনস্বার্থে উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হতে বাধ্য হবেন।
প্রতিনিধি/এসএস