জেলা প্রতিনিধি
২২ জুন ২০২৬, ০৪:২৬ পিএম
টাঙ্গাইলের সখীপুরে নিখোঁজের দুই দিন পর সেঁজুতি (৮) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবারের দাবি, মরদেহ উদ্ধারের আগের রাতে তাদের কাছে ফোন করে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছিল।
সোমবার (২২ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলা পরিষদ চত্বরে থাকা একটি পুকুর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
সেঁজুতি সখীপুর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মন্দিরপাড়া এলাকার ফালু চন্দ্র মালুর মেয়ে। সে স্থানীয় আদর্শ শিশু কানন প্রি-ক্যাডেট স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার বিকেল ৪টার পর থেকে সেঁজুতি নিখোঁজ ছিল। সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পেয়ে ওই রাতেই সখীপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তার বাবা।

সেঁজুতির বাবা ফালু চন্দ্র মালু বলেন, রোববার রাতে একটি ফোনকলের মাধ্যমে তার মেয়েকে ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। এর পরদিন সকালে স্থানীয় লোকজন উপজেলা পরিষদের পুকুরে একটি শিশুর মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে মরদেহটি তাঁর মেয়ের বলে শনাক্ত করা হয়।
তিনি অভিযোগ করেন, তার মেয়েকে হত্যা করে পুকুরে ফেলে রাখা হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন তিনি।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, নিখোঁজের দুই দিন পর উপজেলা পরিষদের পুকুর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
প্রতিনিধি/এসএস