images

সারাদেশ

সাতক্ষীরায় পৃথক তিন স্থানে ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার

জেলা প্রতিনিধি

১৯ জুন ২০২৬, ০২:১২ পিএম

সাতক্ষীরার পৃথক তিনটি স্থান থেকে তিন ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ক্রবার (১৯ জুন) জেলার আশাশুনি, কলারোয়া ও সদর উপজেলায় এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে একটি ঘটনাকে হত্যাকাণ্ড বলে সন্দেহ করছে পুলিশ।

প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, আশাশুনি উপজেলার বেউলা গ্রামের পশ্চিম বিলের একটি খাল থেকে মো. আব্দুর রহিম মালি (৬০) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয়রা খালে মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

আব্দুর রহিম মালি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নের শেতপুর গ্রামের মৃত ফরিদ উদ্দিন মালির ছেলে। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন বলে জানিয়েছে পরিবার।

আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হারুনার রশিদ মৃধা বলেন, আব্দুর রহিম মালি মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অসাবধানতাবশত খালের পানিতে পড়ে গিয়ে তার মৃত্যু হয়েছে।

অন্যদিকে, কলারোয়া উপজেলার জালালাবাদ এলাকায় একটি মোবাইল টাওয়ারের পাশের ডোবা থেকে মেহেদী (৩০) নামে এক মধু ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি উপজেলার কয়লা গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে।

স্থানীয়রা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

প্রতিনিধি/ এজে

কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা গেছে, এক যুবকের মরদেহ ডোবার মধ্যে পড়ে রয়েছে। মরদেহ টেনে নিয়ে যাওয়ার আলামত পাওয়া গেছে। বিষয়টি হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

এদিকে, সদর উপজেলার ধুলিহর এলাকায় অমিত হাসান নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মাসুদুর রহমান বলেন, এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

তিনটি ঘটনারই তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ।