জেলা প্রতিনিধি
১৭ জুন ২০২৬, ০৫:১৬ পিএম
জামালপুরে গৃহবধূকে পুড়িয়ে হত্যা ও ধর্ষণের পৃথক দুই মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সাথে দুই আসামিকে পাঁচ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আব্দুর রহিম এ রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামি হলেন- দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ রহিমপুর গ্রামের মজর উদ্দিনের সন্তান আলাল সেক। আর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া আসামি একই উপজেলার বাঘার চর গ্রামের জলিল হকের ছেলে রাজিব হোসেন।
মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক জানান, ২০০৮ সালের ২৬ মে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ রহিমপুর গ্রামে আলাল সেক তার স্ত্রী নাইমুল বেগমকে যৌতুকের দাবিতে মারধর করে গুরুতর আহত করে ও পরে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করে। এই ঘটনায় নিহতের বাবা আব্দুল খালেক বাদী হয়ে ৭ জনকে আসামি করে দেওয়ানগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন প্রধান আসামি গৃহবধূর স্বামী আলাল সেক। এছাড়াও ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আলাল শেখকে মৃত্যুদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করে আদালত। তবে দীর্ঘদিন যাবৎ পলাতক রয়েছে আসামি আলাল সেক।
অপরদিকে, ২০১৫ সালের ৭ জুন রাত দেড়টার দিকে দেওয়ানগঞ্জের বাঘার চরে দশম শ্রেণি শিক্ষার্থীর বসত বাড়িতে প্রবেশ ধর্ষণ করে প্রতিবেশী রাজিব হোসেন। পরদিন ভুক্তভোগী বাদী হয়ে দেওয়ানগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষণ মামলাদায়ের করেন। সেই মামলায় ৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামিকে যাবজ্জীবন গ্রহণ ও ৫ লাখ কারাদণ্ড অর্থদণ্ড
প্রতিনিধি/এজে