images

সারাদেশ

ফরিদপুরে ২০ কেজি গাঁজাসহ ৪ মাদক কারবারি গ্রেফতার

জেলা প্রতিনিধি

১০ জুন ২০২৬, ১০:৩০ পিএম

ফরিদপুরে পৃথক অভিযানে প্রায় ছয় লাখ টাকা মূল্যের প্রায় ২০ কেজি গাঁজাসহ চার মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১০। মাত্র ১০ ঘণ্টার ব্যবধানে কোতয়ালী ও মধুখালীসহ মহাসড়ক সংশ্লিষ্ট এলাকায় থেকে মাদক পাচার চক্রের ৪ সদস্যসহ ২টি বড় চালান আটক করা হয়।

বুধবার (১০ জুন) গ্রেফতার ব্যক্তিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন কোতয়ালী থানার ওসি মাহমুদুল হাসান।

র‍্যাব সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দিবাগত গভীর রাতে মধুখালী উপজেলার বেল্লাকান্দি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯ কেজি গাঁজাসহ মনির হোসেন ওরফে রুবেল (২৬) ও আমির হোসেন (২৪) নামে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের থেকে জব্দ করা গাঁজার বাজারমূল্য প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা। এর আগে সোমবার দিবাগত গভীর রাতে ফরিদপুর সদর উপজেলার বদরপুর এলাকায় ফরিদপুর-মাগুরা মহাসড়কে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহনে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় একটি যাত্রীবাহী বাস থেকে সাড়ে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৩ লাখ ১৫ হাজার টাকা। এ ঘটনায় মোস্তফা কামাল (২৭) ও রাশেদুল ইসলাম (২৬) নামে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বাড়ি খাগড়াছড়ি জেলার দিঘীনালা উপজেলার উত্তর মিলনপুর এলাকায় বলে জানিয়েছে র‍্যাব।

b659d3f9-65a7-40a7-9c26-6f70bd160b7e

র‍্যাবের প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, গ্রেফতার চারজনই একটি সংঘবদ্ধ মাদক চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক সংগ্রহ করে ফরিদপুর, মাগুরা ও আশপাশের জেলায় সরবরাহ করে আসছিল।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, দেশের সীমান্তবর্তী অঞ্চল থেকে বিভিন্ন মহাসড়ক ব্যবহার করে মাদক পরিবহনের প্রবণতা এখনও অব্যাহত রয়েছে। তবে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি এবং নিয়মিত অভিযানের কারণে বড় বড় চালান জব্দ হচ্ছে।

র‍্যাব-১০-এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার তাপস কর্মকার বলেন, আমরা গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে তাদেরকে আটক করতে সামর্থ্য হই। এরা দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক সরবরাহ করে থাকেন। পৃথক দুটি অভিযানে চারজনের কাছ থেকে প্রায় ২০ কেজি গাজা উদ্ধার করেছি। তাদেরকে কোতয়ালী থানার মাধ্যমে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মাদক সমাজের জন্য ভয়াবহ হুমকি। এটি যুব সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করছে। মাদক নির্মূলে র‍্যাব জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। মাদক, অস্ত্র, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

প্রতিনিধি/এসএস