images

সারাদেশ

নেত্রকোনায় ৪ জন নিহতের একদিন পর দুর্ঘটনাস্থলে স্পিডব্রেকার নির্মাণ

জেলা প্রতিনিধি

০১ জুন ২০২৬, ০৫:৩৭ পিএম

নেত্রকোনা সদর উপজেলার চল্লিশা এলাকার বাইপাস মোড়ে ময়মনসিংহ-নেত্রকোনা মহাসড়কে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় মা, তার দুই মেয়ে ও অটোরিকশাচালক নিহত হওয়ার একদিন পর সেখানে স্পিডব্রেকার নির্মাণ শুরু হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবির মুখে প্রশাসনের উদ্যোগে আজ সোমবার (১ জুন) দুপুরে মহাসড়কের দুই পাশে দুটি স্পিডব্রেকার নির্মাণ করা হয়।

গতকাল রোববার ওই স্থানে বাস ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন নিহত হন। দুর্ঘটনার পরপরই ক্ষুব্ধ স্থানীয় লোকজন মহাসড়ক অবরোধ করে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণে বাইপাস সড়কের সংযোগস্থলে স্পিডব্রেকার ও গোলচত্বর নির্মাণের দাবি জানান। পরে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল বাকিউল বারি ঘটনাস্থলে গিয়ে দ্রুত স্পিডব্রেকার নির্মাণ এবং পরবর্তীতে গোলচত্বর নির্মাণের আশ্বাস দিলে অবরোধ তুলে নেন স্থানীয়রা।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার দুপুরে দুর্ঘটনাস্থলে স্পিডব্রেকার নির্মাণের কাজ শুরু হয়।

742c62ef-8c63-4439-a646-0caae546b185

নেত্রকোনা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহমুদ আলনূর সালেহীন বলেন, জনগণের দাবি ছিল ওই স্থানে স্পিডব্রেকার দেওয়ার। সেই দাবি অনুযায়ী আজই কাজটি করা হচ্ছে। বাইপাস সড়ক এখনো চালু হয়নি। চালু হলে সেখানে গোলচত্বরও নির্মাণ করা হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল বাকিউল বারি বলেন, দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন সড়ক অবরোধ করে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণে স্পিডব্রেকারের দাবি জানিয়েছিলেন। তাদের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা বলে আজই স্পিডব্রেকার নির্মাণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, অনেক আগেই ওই স্থানে স্পিডব্রেকার নির্মাণ করা প্রয়োজন ছিল। তাদের অভিযোগ, চারজনের প্রাণহানির পর প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের টনক নড়েছে।

একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, আগেই যদি স্পিডব্রেকার দেওয়া হতো, তাহলে হয়ত এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা এড়ানো যেত।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান বলেন, গতকাল দুর্ঘটনার পর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেখানে গিয়েছিলেন। জনগণের দাবি ছিলো ওই জায়গায় একটা স্পিডব্রেকার নির্মাণ করে দেওয়ার। দ্রুত এটি করে দেওয়ার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছিল। সড়ক ও জনপথের সঙ্গে কথা বলেছি, তারা রাজি হয়েছেন। তাই আজকে জনগণের কাঙ্ক্ষিত সেই স্পিডব্রেকার নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। জনস্বার্থে আরও কোনোকিছু করা প্রয়োজন হলে সেটিও করা হবে।

প্রতিনিধি/এসএস