images

সারাদেশ

কলারোয়ায় পাঁচ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

জেলা প্রতিনিধি

২৯ মে ২০২৬, ০৪:৩৩ পিএম

পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন বক্তারা। তারা বলেছেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য ও সবুজ পৃথিবী গড়ে তুলতে এখন থেকেই সবাইকে গাছ লাগানোর আন্দোলনে সম্পৃক্ত হতে হবে। শুধু গাছ রোপণ করলেই হবে না, পরিবেশ সংরক্ষণে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি এবং গাছের সঠিক পরিচর্যাও নিশ্চিত করতে হবে।

শুক্রবার (২৯ মে) সকালে সাতক্ষীরার কলারোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উপজেলাব্যাপী পাঁচ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন। কর্মসূচির আয়োজন করে ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যান্ড জাস্টিস ফাউন্ডেশন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যান্ড জাস্টিস ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আরিফুজ্জামান মামুন এবং সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী পরিচালক আলমগীর কবির।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. মিজানুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেখ রেজাউল করিম, আসাদুজ্জামান মিলন, আক্তারুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সরকারি কর্মকর্তা ও শিক্ষকমণ্ডলী।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মিজানুর রহমান বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহ প্রভাব থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করতে হলে বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে। শুধু সরকার নয়, সমাজের প্রতিটি মানুষকে পরিবেশ রক্ষায় এগিয়ে আসতে হবে।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমানে তাপমাত্রা বৃদ্ধি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বায়ুদূষণ বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। একটি গাছ শুধু অক্সিজেনই দেয় না, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে মানবজীবনকে নিরাপদ রাখে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার শেখ রেজাউল করিম ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছ বেশি করে লাগানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, গাছপালা কমে যাওয়ায় পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে এবং কৃষি উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করতে ভূমিকা রাখবে।

সংগঠনের চেয়ারম্যান আরিফুজ্জামান মামুন জানান, উপকূলীয় অঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় পরিবেশ বিপর্যয়ের ঝুঁকি বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে জনসচেতনতা সৃষ্টি ও পরিবেশ রক্ষায় সামাজিক উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই কর্মসূচির মাধ্যমে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পাঁচ হাজার গাছের চারা রোপণ করা হবে।

অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা বিভিন্ন প্রজাতির ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করেন। পরে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় একযোগে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম শুরু হয়।

প্রতিনিধি/একেবি