images

সারাদেশ

খামারিদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকার কাজ করছে: কৃষিমন্ত্রী

জেলা প্রতিনিধি

২৬ মে ২০২৬, ০৮:২৮ পিএম

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক কৃষক ও খামারিদের জন্য বছরের অন্যতম বড় আয়ের উৎস। সরকার তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

মঙ্গলবার (২৬ মে) কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার নেউরা পশুর হাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, কোরবানির পশু পালন ও বিক্রির মাধ্যমে লাখো পরিবার আর্থিকভাবে উপকৃত হচ্ছে। এটি ধীরে ধীরে একটি শিল্পভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে পরিণত হচ্ছে। সারাদেশের কৃষক ও খামারিরা দীর্ঘ সময় ধরে গবাদিপশু লালন-পালন করে বাজারে নিয়ে আসেন। ফলে কোরবানির মৌসুম প্রান্তিক খামারিদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরি করেছে। গবাদিপশু পালন সম্প্রসারণে বিভিন্ন সহায়তা ও প্রশিক্ষণের পাশাপাশি খামারভিত্তিক উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর ফলে দেশে বাণিজ্যিকভাবে পশুপালনের প্রবণতা বাড়ছে এবং এটি কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করছে।

পশুর হাটের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন হাটে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং প্রাণিসম্পদ বিভাগের সমন্বয়ে নিবিড় নজরদারি চলছে। একই সঙ্গে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা, চিকিৎসা ও ওষুধ সরবরাহে প্রতিটি হাটে ভেটেরিনারি টিম দায়িত্ব পালন করছে।

চাঁদাবাজি বা অব্যবস্থাপনার বিষয়ে এখন পর্যন্ত বড় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। জাল নোটের ঝুঁকি মোকাবিলায় বিভিন্ন হাটে টাকা শনাক্তকরণ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যাতে বিক্রেতা ও ক্রেতারা নিরাপদ লেনদেন করতে পারেন। ঈদের আগমুহূর্ত পর্যন্ত মাঠপর্যায়ে পশুর হাট পরিস্থিতি তদারকি অব্যাহত থাকবে।

এ সময় কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. সামছুল আলম, সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুজন চন্দ্র রায় এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. মাহে আলমসহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিনিধি/একেবি