images

সারাদেশ

মেহেরপুরে আবারও বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার, কাটছে না আতঙ্ক

জেলা প্রতিনিধি

২০ মে ২০২৬, ১১:৪২ এএম

মাত্র এক দিনের ব্যবধানে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় আবারও উদ্ধার হয়েছে বোমা সদৃশ একটি বস্তু। ধারাবাহিক এমন ঘটনায় এলাকাজুড়ে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

বুধবার (২০ মে) ভোর ৫টার দিকে নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় গেট খুলে সামনে লাল টেপে মোড়ানো সন্দেহজনক বস্তুটি পড়ে থাকতে দেখেন বাড়ির প্রধান আতিকুল আলম হানিফ। পরে তিনি পুলিশে খবর দেন।

আতিকুল আলম হানিফ উপজেলার চরগোয়ালগ্রামের সরদারপাড়ার মৃত রিয়াজ আলী মণ্ডলের ছেলে।

খবর পেয়ে গাংনী থানা পুলিশের কুমারীডাঙ্গা ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই কামরুজ্জামান ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তুটি উদ্ধার করেন। পরে গাংনী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) উত্তম কুমার দাস ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

ওসি উত্তম কুমার দাস জানান, উদ্ধার হওয়া বস্তুটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। এটি পানিতে ভাসছে। বস্তুটি আসলেই বিস্ফোরক কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এছাড়া কে বা কারা কী উদ্দেশ্যে এগুলো রেখে যাচ্ছে, সেটিও স্পষ্ট নয়। জড়িতদের শনাক্ত ও আটকের চেষ্টা চলছে।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ৩ মে উপজেলার চরগোয়ালগ্রাম সংলগ্ন মাথাভাঙ্গা নদীর পাড় থেকে একটি বোমা সদৃশ বস্তু ও রহস্যজনক চিরকুট উদ্ধার করা হয়। ৬ মে সীমান্তবর্তী তেঁতুলবাড়িয়া গ্রামের হাজীপাড়ায় ছানোয়ার হোসেন পলাশের বাড়ির সামনে আরেকটি সন্দেহজনক বস্তু পাওয়া যায়। পরে ১৭ মে হাড়াভাঙ্গা গ্রামের হাজীপাড়া এলাকায় ফজলুর রহমানের বাড়ির সামনে বোমা সদৃশ বস্তু, চিরকুট ও সাদা কাপড় উদ্ধার করে পুলিশ। সবশেষে ১৮ মে উপজেলার জোড়পুকুরিয়া গ্রামের মধ্যপাড়ায় বাবলু হোসেনের মুদির দোকানের সামনেও সন্দেহজনক বস্তু উদ্ধার হয়।

ক্রমাগত এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও চাঞ্চল্য দিন দিন বাড়ছে। সচেতন মহলের দাবি, দ্রুত ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের আইনের আওতায় আনা না গেলে জনমনে আতঙ্ক আরও বাড়বে এবং জেলার সার্বিক ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

প্রতিনিধি/টিবি