জেলা প্রতিনিধি
১৭ মে ২০২৬, ০৬:২৬ পিএম
পবিত্র ঈদুল আজহায় বরিশাল বিভাগে চাহিদার তুলনায় বেশি কোরবানির পশু প্রস্তুত রয়েছে। এবারও অতীতের মতই স্থানীয় পশুতেই মেটানো হবে এ চাহিদা। এ লক্ষ্যে বরিশাল বিভাগজুড়ে প্রস্তুত রয়েছে ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৪৪৫টি পশু। হিসাব অনুযায়ী চাহিদা পূরণের পরও প্রায় ৬৮ হাজার পশু উদ্বৃত্ত থাকবে।
প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, বরিশাল বিভাগের ৩ হাজার ৯১৫ জন ছোট-বড় খামারির কাছে বর্তমানে মোট ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৪৪৫টি পশু রয়েছে। সম্ভাব্য চাহিদা ৪ লাখ ৭৮৩টি নির্ধারণ হওয়ায় উদ্বৃত্ত থাকবে ৬৭ হাজার ৬৬২টি পশু। মজুত পশুর মধ্যে রয়েছে ২ লাখ ৮৩টি ষাঁড় গরু ও ৬৮ হাজার ২৭৮টি বলদ রয়েছে। এছাড়া ৯৮ হাজার ৫টি মহিষ, ১ লাখ ১৯ হাজার ৮৯০টি ছাগল এবং অন্যান্য পশু ১৫০টি রয়েছে।
জেলাভিত্তিক হিসাবেও বরিশাল বিভাগের ৬টি জেলায় চাহিদার তুলনায় পশুর সংখ্যা বেশি। বরিশাল জেলায় চাহিদা ১ লাখ ২৬ হাজার ৫৭৯টি, প্রস্তুত রয়েছে ১ লাখ ২৯ হাজার ৪৪টি পশু। পটুয়াখালী জেলায় চাহিদা রয়েছে ১ লাখ ১১ হাজার ৮৭৪টি, পশুর; রয়েছে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৭১৮টি। ঝালকাঠি জেলায় ৩০ হাজার ২৮টি পশুর চাহিদা থাকলেও প্রস্তুত আছে ৩০ হাজার ৫৮৮টি পশু। বরগুনা জেলায় চাহিদা ৩০ হাজার ১৮২টি, মজুত রয়েছে ৪৩ হাজার ৪২৬টি পশু। ভোলা জেলায় ৮০ হাজার ৭৪৩টি পশুর চাহিদার বিপরীতে মজুত আছে ১ লাখ ৩ হাজার ১৭টি। পিরোজপুরে ২১ হাজার ৫৭৭টি পশুর চাহিদা থাকলেও রয়েছে ২৮ হাজার ৬৫২টি।
বরিশাল বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের পরিচালক মাহফুজুল হক বলেন, গ্রামগঞ্জের পরিবারগুলোতে গরু-ছাগল পালন বেড়েছে। এর মধ্যদিয়ে স্থানীয় পশু উৎপাদন উল্লেখজনক হারে বেড়েছে। তাই এবারও আমাদের বিদেশি পশুর ওপর নির্ভর হয়ে থাকতে হবে না।
প্রতিনিধি/এসএস