images

সারাদেশ

‘মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষীদের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই’

জেলা প্রতিনিধি

১৬ মে ২০২৬, ০৬:০৮ পিএম

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষতার মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচার কার্যক্রম চলছে। আলোচিত আবু সাইদ হত্যা মামলার রায়ের মধ্য দিয়েই বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে। যেখানে ঢালাওভাবে সাজা না দিয়ে তাদের অপরাধ অনুযায়ী আলাদা আলাদা সাজা দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১৬ মে) দুপুরে সদ্য সনদপ্রাপ্ত নতুন আইনজীবীদের প্রশিক্ষণ কর্মশালায় গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেছেন তিনি। সিরাজগঞ্জ আইনজীবী সমিতি কার্যালয়ের হলরুমে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

তিনি বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষীদের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই। এসব মামলায় যেকোনো সাক্ষী তাদের সাক্ষ্য দেওয়ার পর তাদের নিরাপত্তার বিষয় আমরা নিশ্চিত করছি সহযোগিতা করছি। আমাদের সাক্ষীদের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই। এমনকি সারাদেশে যদি নির্দোষ ব্যক্তিকে শাস্তি বা মোটিভেটেড হয়ে যদি কোনো ব্যক্তিকে শাস্তি দেওয়া হয়, তাহলে তিনি ক্ষতিপূরণ চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হতে পারবেন।

তিনি বলেন, একজন আসামি যত শক্তিশালী হোক না কেন, তিনি কোন রাজনৈতিক দলের সেটা আমরা দেখছি না। নিরপেক্ষভাবে ট্রাইব্যুনাল কাজ করছে। সারা দেশের গুম-খুন ও ক্রসফায়ারে নিহত ব্যক্তিদের মামলাও ইতোমধ্যেই ইনভেস্টিগেশন শুরু হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধে ট্রাইব্যুনালের নিজস্ব তদন্ত সেল আছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আইন অনুযায়ী বাংলাদেশের যে কোনো প্রান্তেই অপরাধ ঘটুক না কেন, সেটি আমরা তুলে নিয়ে আসতে পারি। দেশের সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আমাদের মামলার কাজে আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করছে।

বিচার কার্যক্রমের সময় কে কোন রাজনৈতিক দলের সেটা দেখা হচ্ছে না জানিয়ে আমিনুল বলেছেন, আলোচিত মামলাগুলোর মধ্যে ২২টি বিচারাধীন, ৩১টি মামলা খুব শিগ্‌গিরই বিচারের সম্মুখীন হবে এবং তদন্ত চলছে ৪০৫টির।

আলোচিত মামলাগুলোর কোনো সাক্ষীরই নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা নেই জানিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর জানালেন, দায়িত্ব পাওয়ার পরই সারা দেশের এসপিদের বলেছি মামলাগুলোর সাক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে।

কর্মশালা পরিচালনা করেন সিরাজগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির কর্নেল। এতে সভাপতিত্ব করেন বারের সভাপতি ও জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দার (রফিক সরকার), ঢাকা জজকোর্টের পরিবেশ অধিদপ্তরের পাবলিক প্রসিকিউটর এ্যাড. রায়হান মোর্শেদ জহিরুলসহ উপস্থিত ছিলেন পাবনা জেলা জজ আদালতের পিপিসহ বিজ্ঞ আইনজীবীরা।

প্রতিনিধি/এসএস