জেলা প্রতিনিধি
১৬ মে ২০২৬, ০১:১৬ পিএম
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী মিয়ারহাট বন্দরে আগুনে অন্তত ১৭টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
শুক্রবার (১৫ মে) রাত আনুমানিক ১০টা ৪৫ মিনিটের দিকে এ আগুনের ঘটনা ঘটে।
শনিবার (১৬ মে) ভোরে সরেজমিনে দেখা যায়, অগ্নিকাণ্ডে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সার ও কীটনাশকের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো।
ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে রয়েছেন— তারেক, কবির, শাহাবুদ্দিন, রফিক, বশির, জাহিরুল, মাসুম, আলম, ফজলুল হক (সুতার দোকান), ফয়সাল (ক্রোকারিজ), সুজন (হার্ডওয়্যার), মিরাজ (পানের দোকান), শান্তি (সেলুন), শাকিল (মুদি দোকান), আজিজুল হক ও ফজলু (প্লাস্টিকের দোকান)। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দাবি, আগুনে প্রায় ১০ কোটি টাকারও বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আগুন লাগার কারণ ও উৎপত্তিস্থল নিয়ে কিছুটা ভিন্নমত থাকলেও অধিকাংশের ধারণা, সার ও কীটনাশকের দোকানের পাশের বাঁশঝাড়ে থাকা বৈদ্যুতিক পিলার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন আশপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। আগুন লাগার পর স্থানীয় লোকজন খালের পানি ব্যবহার করে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালান। পরে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
মিতালী ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মাইদুল ইসলাম লিপু জানান, তার প্রতিষ্ঠানের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এক কোটি টাকারও বেশি। কাজী ট্রেডার্সের মালিক কাজী রফিকুল ইসলাম প্রায় ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকার ক্ষতির আশঙ্কা করছেন। এছাড়া ব্যবসায়ী শিপন জানান, তার প্রায় ২০ লাখ টাকার মালামাল আগুনে পুড়ে গেছে।
নেছারাবাদ ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ মনিরুল ইসলাম জানান, অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৭টি দোকান পুড়ে গেছে। এর মধ্যে রয়েছে ৩টি সার ও কীটনাশকের দোকান, একটি চায়ের দোকান এবং অন্যান্য দোকানের মধ্যে প্লাস্টিক, দড়ি-কাচি, ক্রোকারিজ, হার্ডওয়্যার, মুদি, সেলুন ও পানের দোকান।
প্রতিনিধি/টিবি