images

সারাদেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রস্তুত খামারিরা, সীমান্তে গরু পারাপার নিয়ে শঙ্কা

১৪ মে ২০২৬, ০৫:০৭ পিএম

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোরবানির পশু মোটাতাজা করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারিরা। জেলার প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার খামারে চলছে এ কাজ। তবে খামারিরা জানিয়েছেন, গোখাদ্যের দাম বাড়ায় বাড়ছে খামারের ব্যয়। পাশাপাশি সীমান্ত দিয়ে চোরাইপথে গরু আসা নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন তারা।

জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ অবশ্য জানিয়েছে, জেলায় উৎপাদিত পশু দিয়েই স্থানীয়ভাবে কোরবানির চাহিদা মেটানো সম্ভব।

আসন্ন ঈদুল আজহায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোরবানির পশুর চাহিদা প্রায় এক লাখ ৬৯ হাজার। আর কোরবানিযোগ্য পশু রয়েছে এক লাখ ৩২ হাজার ৩৩৫টি। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পশু দিয়েই জেলার চাহিদা মিটবে বলে আশা করছেন খামারিরা। ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ১৪ হাজার ৭৯২ জন খামারি দিনরাত প্রাকৃতিক উপায়ে পশু মোটাতাজা করার কাজ করছেন। প্রতিটি খামারেই ছোট, মাঝারি ও বড়—সব ধরনের কোরবানির পশু রয়েছে।

খামারি জুয়েল খান ও শরিফ মিয়া জানান, গোখাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় খামারের ব্যয় বেড়েছে। প্রতি গরুর মাসিক ব্যয় বেড়েছে সাত-আট হাজার টাকা। প্রতি মন ফিড এক হাজার ২৫০ টাকা থেকে বেড়ে এক হাজার ৩২০ টাকা হয়েছে। প্রতি কেজি সাইলেজ সাড়ে সাত টাকার জায়গায় এখন আট-নয় টাকা কিনতে হচ্ছে। বাড়তি খরচ বহন করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তারা আশঙ্কা করছেন, প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে অবৈধ পথে কোরবানির পশু এলে খামারিরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

এদিকে জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, কোরবানির চাহিদা মিটাতে জেলার খামারগুলোতে পর্যাপ্ত পশু রয়েছে। খামারিদের গবাদিপশু মোটাতাজা করতে স্টেরয়েড ব্যবহার রোধে সচেতনতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা হাবিবুল ইসলাম বলেন, ‘কোরবানির জন্য প্রয়োজনীয় পশু প্রস্তুত রয়েছে। মোটাতাজাকরণে ক্ষতিকর স্টেরয়েড ব্যবহার রোধে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কোরবানির চাহিদা মেটাতে জেলার খামারগুলোতে পর্যাপ্ত পশু আছে।’

প্রতিনিধি/এমআই