images

সারাদেশ

গাইবান্ধায় কোরবানিযোগ্য পৌনে ২ লাখ গবাদিপশু প্রস্তুত

জেলা প্রতিনিধি

১০ মে ২০২৬, ০৪:৪৩ পিএম

আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে গাইবান্ধার সাতটি উপজেলায় ১ লাখ ৭৬ হাজার ৯৮৩টি গবাদিপশু প্রস্তুত করা হয়েছে। জেলায় পশুর চাহিদা রয়েছে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৫০০টি।

রোববার (১০ মে) দুপুরে গাইবান্ধা জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

কোরবানিযোগ্য গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়া কেনাবেচার জন্য জেলার বিভিন্ন স্থানে ১৯টি স্থায়ী ও ১৩টি অস্থায়ীসহ মোট ৩২টি হাট নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া খামার ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মেও পশু কেনাবেচা হবে। তবে হাটগুলো এখনো পুরোদমে জমে ওঠেনি। 

সম্প্রতি গাইবান্ধার দাড়িয়াপুর, লক্ষ্মীপুর, সাদুল্লাপুর, ধাপেরহাট, মাঠেরহাট ও ভরতখালিসহ বিভিন্ন হাটে গিয়ে দেখা যায়, পশু কেনাবেচার জন্য নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরির কাজ চলছে। এসব হাটে ষাঁড়, বলদ, মহিষ, গাভী, ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা কেনাবেচা হবে। হাট ইজারাদারদের সূত্রে জানা গেছে, আর কয়েকদিন পরই বাজার পুরোদমে জমে উঠবে।

জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় জানায়, এ বছর জেলার ১৭ হাজার ৩৩১টি খামারে ৩৭ হাজার ৬৬০টি ষাঁড়, ৩ হাজার ৫৭২টি বলদ, ২২ হাজার ৪৬০টি গাভী, ১৫৩টি মহিষ, ১ লাখ ২ হাজার ৯৩৮টি ছাগল, ১০ হাজার ২৮৯টি ভেড়া ও ৪টি দুম্বাসহ অন্যান্য পশু মজুদ আছে।

এদিকে ক্রেতা ও বিক্রেতারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, অতীতের মতো এবারও হাটে দালাল ও ফড়িয়াদের দৌরাত্ম্যের কারণে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। অভিযোগ রয়েছে, মধ্যস্বত্বভোগীরা কৌশলে লভ্যাংশ হাতিয়ে নেয়। সাধারণ খামারি ও ক্রেতারা এই চক্র থেকে পরিত্রাণ চান। খামারি সাজ্জাদ রহমান রাসেল জানান, গো-খাদ্যের দাম বাড়ায় পশু পালনে খরচ বেড়েছে, তবে হাটে ভালো দাম পেলে লাভবান হওয়া সম্ভব।

গাইবান্ধা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুর রাজ্জাক জানান, জেলায় চাহিদার তুলনায় ৩৯ হাজার ৪৮৩টি অতিরিক্ত পশু মজুদ আছে, যা দেশের অন্যান্য অঞ্চলের চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখবে। 

তিনি আরও জানান, হাটে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হচ্ছে এবং জাল টাকা রোধ ও দালাল চক্র নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা নেওয়া হবে।

প্রতিনিধি/একেবি