images

সারাদেশ

নোয়াখালীতে সাংবাদিককে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন

জেলা প্রতিনিধি

১০ মে ২০২৬, ০১:১০ এএম

আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে গ্রেফতার করতে হবে। তা না হলে আরো কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন সাংবাদিক খোরশেদ আলম। সাংবাদিক মোহাম্মদ হানিফকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে নোয়াখালী সোনাইমুড়ী উপজেলায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে এসব কথা বলেন তিনি।

শনিবার (৯ মে) সকাল ১১টার দিকে সোনাইমুড়ী বাইপাস চত্বরে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক সামছুল আরেফিন জাফর, বেলাল হোসাইন ভুঁইয়া, আমিনুল ইসলাম মানিক, আনোয়ার বারী পিন্টু, ইয়াকুব আল মাহমুদ, মোহাম্মদ হানিফ, রবিউল হাসান, জাহাঙ্গীর আলম, মোহাম্মদ উল্যাহ, মামুনুর রশিদ, মাহবুবুল হাসান, নূর মোহাম্মদ সবুজ, জসিম উদ্দিন রাজ সহ অন্যান্যরা।

এসময় বক্তারা বলেন, সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক হত্যা, নির্যাতন ক্রমান্বয়ে বেড়েই চলেছে। এ সব অপরাধের বিচার হচ্ছেনা। অপরাধীরা প্রভাবশালীদের আশ্রয় ও প্রশ্রয়ে এসকল অপরাধ করছে। সংবাদ প্রকাশের জেরে জাতীয় দৈনিক আমাদের সময়ের সোনাইমুড়ী প্রতিনিধি মোহাম্মদ হানিফকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দিয়েছে সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় ঐ সাংবাদিক নিজে বাদী হয়ে গত ২৫শে এপ্রিল সোনাইমুড়ী থানায় জেনারেল ডায়েরি (জিডি) করলেও নেয়া হয়নি কোনো ব্যবস্থা। প্রশাসন নাকে তৈল দিয়ে ঘুমাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন সাংবাদিকরা। 

তারা বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সাংবাদিক মোহাম্মদ হানিফকে হত্যার হুমকি দাতাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করা না হলে আরো বড় পরিসরে আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে। প্রয়োজনে কাফনের কাপড় পরিধান করে আরো কঠোর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন সাংবাদিকরা। 

প্রসঙ্গত, পার্শ্ববর্তী চাটখিল উপজেলায় ইটভাটা ব্যবসায়ী জাবেদ হোসেনের নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘিরে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি নিহতের পরিবার বিচারের দাবিতে ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটির হলরুমে একটি সংবাদ সম্মেলন করেন। যা বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয় এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও আলোড়ন সৃষ্টি করে। এরপর থেকেই একটি প্রভাবশালী চক্র সোনাইমুড়ীতে কর্মরত সাংবাদিক মোহাম্মদ হানিফকে মোবাইল ফোনে হত্যার হুমকি দিতে থাকে।

হুমকিদাতা মো. রুবেল নিজেকে ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি দাবি করে সাংবাদিক হানিফকে বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তোকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে। এছাড়াও বিভিন্ন ভাষায় গালমন্দ করেন। এ সংক্রান্ত একটি অডিও কল রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়।

জিডির তদন্তকারী কর্মকর্তা সোনাইমুড়ী থানা এএসআই রেজাউল ইসলাম জানান, হুমকিদাতাকে চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এখনো অভিযুক্তকে শনাক্ত করা যায়নি।

প্রতিনিধি/এজে