images

সারাদেশ

খুলনায় মে দিবস পালন ও শ্রমিকদের সহায়তা চেক হস্তান্তর

জেলা প্রতিনিধি

০১ মে ২০২৬, ০২:৫২ পিএম

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় খুলনায় মহান মে দিবস পালিত হয়েছে। 

শুক্রবার (১ মে) সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে অতিথিরা বলেন, দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে শ্রমিকদের অবদান অপরিসীম। তাদের ন্যায্য মজুরি, স্বাস্থ্যসম্মত কর্মপরিবেশ ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করা জরুরি। শ্রমিক কোনো যন্ত্র নয়, তারা মানুষ; তাই তাদের সঙ্গে মানবিক আচরণ করতে হবে। বক্তারা আরও বলেন, ধর্মীয় অনুশাসন মেনে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তাদের স্বার্থ রক্ষা না হলে কোনো উন্নয়নই টেকসই হবে না। মালিক-শ্রমিককে এক পরিবারের মতো সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, উভয় পক্ষকেই একে অন্যের স্বার্থ রক্ষা করতে হবে। পাশাপাশি অর্থনৈতিক, সামাজিক, স্বাস্থ্য ও পরিবেশসহ সব দিক থেকে সামগ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত না হলে মালিক-শ্রমিক সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) আবু সায়েদ মো. মনজুর আলম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খান, অতিরিক্ত রেঞ্জ ডিআইজি শেখ জয়নুদ্দীন, মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা এবং সিভিল সার্জন ডা. মোছাঃ মাহফুজা খাতুন।

খুলনা জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার দফতরেরউপপরিচালক মো. আরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন শ্রম দফতরেরপরিচালক মো. হাফেজ আহাম্মদ মজুমদার। মালিক প্রতিনিধিদের পক্ষে বক্তৃতা করেন বিজেএ’র চেয়ারম্যান খন্দকার আলমগীর কবির ও বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. তরিকুল ইসলাম জহির।

আলোচনা সভা শেষে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন থেকে খুলনা জেলার খালিশপুর, দৌলতপুর, খানজাহান আলী এবং আড়ংঘাটা থানার বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত শ্রমিক ও তাদের পরিবারের সদস্যসহ মোট ১৪০ জনের মাঝে ৪১ লাখ ৩৫ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়।

এর আগে দিবসটি উপলক্ষ্যে বিভাগীয় কমিশনার মো: আবদুল্লাহ হারুনের নেতৃত্বে খুলনা রেলওয়ে স্টেশন চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে গিয়ে শেষ হয়।

প্রতিনিধি/একেবি