জেলা প্রতিনিধি
২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:২৮ পিএম
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার কাদলা ইউনিয়নে সরকারি খাল দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে মর্মে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি আমলে নিয়েছে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। তিনি বিষয়টি থানার ওসিকে সরেজমিন তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য আদেশ দিয়েছেন।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নাজির ফখরুদ্দিন আহমেদ স্বপন।
ওই আদেশে উল্লেখ করা হয়, গত ২২ এপ্রিল স্থানীয় দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠে প্রকাশিত একটি সংবাদ প্রতিবেদন আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে-জেলার কচুয়া উপজেলার কাদলা ইউনিয়নের কাপিলাবাড়ি গ্রামে কাপিলাবাড়ি মাদরাসা, এতিমখানা এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পূর্ব পাশের একটি প্রবহমান সরকারি খাল দখল করে ওই এলাকার বাসিন্দা শহীদ উল্লাহ কোম্পানি প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করে প্রকাশ্যে পাকা মার্কেটসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করছেন। যার ফলে এলাকার কয়েক হেক্টর কৃষিজমি হুমকির মুখে পড়েছে বলে স্থানীয় কৃষকরা অভিযোগ করেছেন।

প্রতিবেদনে বর্ণিত কার্যক্রম আপাতদৃষ্টিতে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনে একটি শান্তি যোগ্য অপরাধ বলে প্রমাণিত হয়। এই ধারায় সরকারি ও জনসাধারণের ব্যবহার্য ভূমিতে অবৈধভাবে দখল বা স্থাপনা নির্মাণকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। এছাড়াও বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে খাল এক প্রকারের জলাধার এবং একই আইনের ৬৬ ধারা মতে জলাধার ভরাট করা আইনত দণ্ডনীয়।
চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নাজির ফখরুদ্দিন আহমেদ স্বপন বলেন, গত ২৩ এপ্রিল সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল মান্নান খাল ভরাট বিষয়ে আদেশ দেন। সেখানে তিনি কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে সংবাদে উল্লিখিত ঘটনাস্থল সরেজমিন পরিদর্শনপূর্বক স্থানীয় সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণসহ জড়িত ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের পূর্ণাঙ্গ নাম ঠিকানা সংগ্রহপূর্বক বিস্তারিত প্রতিবেদন ১৫ দিনের মধ্যে আদালতে জমা দেওয়ার আদেশ দেন।
প্রতিনিধি/এসএস