জেলা প্রতিনিধি
২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:০৯ পিএম
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালিশুরি এসএ ইনস্টিটিউশন কেন্দ্রে ইংরেজি প্রথম পত্র পরীক্ষা চলাকালীন অসদুপায় অবলম্বনের (নকল) দায়ে ৮ পরীক্ষার্থী ও দুজন শিক্ষককে বহিষ্কার করা হয়েছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) পরীক্ষা চলাকালে বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের বিশেষ ভিজিলেন্স টিম তাদের হাতেনাতে ধরে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, সকালে ইংরেজি প্রথম পত্র পরীক্ষা শুরু হওয়ার পরে বরিশাল থেকে আসা শিক্ষা বোর্ডের একটি বিশেষ ভিজিলেন্স টিম আকস্মিক কেন্দ্রে পরিদর্শনে যান।
এসময় পরীক্ষার হলে নকল করার সময় ৮ জন পরীক্ষার্থীকে শনাক্ত করা হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরীক্ষা থেকে বহিষ্কারের নির্দেশ দেওয়া হয়।
এসময়ে পরীক্ষার হলে দায়িত্বরত শিক্ষক শিরিন আক্তার এবং শংকর চন্দ্র হালদারকে তাৎক্ষণিক প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।
বহিষ্কৃত ৮ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪ জন বাউফল উপজেলার ইন্দ্রকুল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এবং বাকি ৪ জন পার্শ্ববর্তী বাকেরগঞ্জ উপজেলার কাকড়দা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বলে নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্র সচিব।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ড থেকে পাঠানো বরিশাল বিএম কলেজের উদ্ভিদ বিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আসাদুজ্জামান বলেন, পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ট্র-ফলস, রি-অ্যারেঞ্জ, ম্যাসিংসহ বেশ কিছু উত্তর লেখা ছিল।
তিনি বলেন, আমরা ধারণা করছি উত্তরগুলো বাইরে থেকে লিখে সরবরাহ করা হয়েছে। এ ধরনের অপরাধের কারণে ৮ পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে এবং ওই সময়ে হলে দায়িত্ব পালন করা ২ শিক্ষককে বহিষ্কারের সুপারিশ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে কালিশুরি এসএ ইনস্টিটিউশনের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব মো. ইউসুফ আলী বলেন, পরীক্ষায় নকল করার অপরাধে ৮ পরীক্ষার্থী এবং দুজন শিক্ষককে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এএইচ