জেলা প্রতিনিধি
২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৪১ পিএম
ইউসুফ মোল্লা টিপু কুমিল্লা সিটি করপোরেশন কুসিক প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে কুমিল্লা নগরবাসীর মনজয় করে প্রসংশায় ভাসছেন। মাত্র ৩৫ দিনে তিনি কুমিল্লা নগরবাসীর অন্যতম প্রধান সমস্যা যানজট ও ফুটপাত দখলমুক্ত করা, ড্রেন পরিস্কার, খাল খনন, সিটি করপোরেশনের ভেতরে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণসহ তিনি বিভিন্ন কাজ সম্পাদন করেছেন। যার দরুন কুমিল্লা নগরবাসীর অনেকে তাকে ‘ফাটাকেস্ট’ বলে আখ্যায়িত করেন। ইউসুফ মোল্লা টিপু দায়িত্ব গ্রহনের পর ২৮ দিনের মাথায় নগরবাসীদের জানানোর উদ্দেশে কুসিকের ৩ মাসের আয়-ব্যায়ের হিসাব সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরেন। এছাড়াও তিনি জানান প্রতি তিন মাসে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের আয় ও ব্যায়ের হিসাব নগরবাসীর কাছে তুলে ধরবেন।

কুসিক প্রশাসক আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাকে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নিযুক্ত করেছেন। যতদিন আমি এ চেয়ারে থাকব ততোদিন কোনো প্রকার দুর্নীতি হবে না সিটি করপোরেশনে। আমি আপনাদেরকে এ ব্যাপারে আশ্বস্ত করতে চাই।

কাটাবিল মুন্সিবাড়ীর মাজার সংলগ্ন বাসিন্দা মোর্শেদা পেয়ারী সিন্ধা জানান, আমরা জানি সিটি করপোরেশনের বর্তমান প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু একজন মানবিক ভালো মানুষ। করোনাকালীন শুধু কুমিল্লা নয় সারা বাংলাদেশোর মানুষ ওনার মানবিকতার যে দৃষ্টান্ত দেখেছে তা মনে রাখবে। কোভিট ১৯ সময়ে বিবেক নামক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সৃষ্টি করে ৪৬০ জনের মরদেহ সৎকার করেছেন। করোনায় আক্রান্তদের অক্সিজেন সিলিন্ডার মানুষের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়াসহ নানান মানবিক কাজ করেছেন। এখন তিনি নিজে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থেকে ড্রেন, খাল পরিষ্কার, ফুটপাত দখলমুক্তসহ বিভিন্ন কাজ করে নগরবাসীর মন জয় করেছেন।

কুমিল্লা ডায়াবেটিক হাসপাতালের ইনডোর ইনচার্জ আহমেদ জোরফান বেলাল জানান, নগরবাসী চায় তাদের দেওয়া ট্যাক্সের টাকার যথাযথ সেবা যেন তারা পায়। সেদিক থেকে বর্তমান সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু নগরের মানুষের উন্নয়নের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

সুশাসনের জন্য নাগরিক কমিটি সুজনের সভাপতি আলহাজ্ব শাহ্ মোহাম্মদ আলমগীর খান বলেন, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু কুমিল্লার বিষফোঁড়া বলে খ্যাত ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ও মিশুক একটি নির্দিষ্ট সংখ্যায় নিয়ে এসে ও ফুটপাত দখলমুক্ত করে নগরবাসীকে যানজট থেকে শ্বস্তি দিয়েছেন। তাছাড়াও তিনি খাল পুনর্খনন করে ও ড্রেন পরিষ্কার নিজে রাস্তায় দাঁড়িয়ে তদারকি করায় এতে করে কাজের গতি বেড়েছে।
প্রতিনিধি/এসএস