images

সারাদেশ

পদ্মার চরে নৌভ্রমণে সম্পাদকরা, চরাঞ্চলের মানুষের পাশে থাকার আশ্বাস

জেলা প্রতিনিধি

০৫ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৫৪ পিএম

পদ্মা নদীর চরাঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রা সরেজমিনে দেখতে নৌভ্রমণে অংশ নিয়েছেন দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক ও সাংবাদিক নেতারা। ভ্রমণ শেষে তারা চরাঞ্চলের মানুষের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।

শনিবার (০৫ এপ্রিল) মাদারীপুরের কাওড়াকান্দি পুরনো ফেরিঘাট থেকে ইঞ্জিনচালিত নৌকায় যাত্রা শুরু করে দেড় ঘণ্টা পর পদ্মা সেতু অতিক্রম করে চরজানাজাত এলাকার ‘হীরা খার বাজার’ সংলগ্ন চরে পৌঁছান তারা। দিনব্যাপী এ আয়োজনে অংশ নেন জাতীয় প্রেস ক্লাব-এর নেতৃবৃন্দসহ দেশের বিভিন্ন টেলিভিশন ও পত্রিকার সম্পাদক এবং ঢাকার সাংবাদিক নেতারা।

নৌভ্রমণে গিয়ে সাংবাদিকরা চরাঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রা, দুঃখ-দুর্দশা ও নদীভাঙনের করুণ চিত্র সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করেন। এ সময় তারা স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের সমস্যার কথা শোনেন। পরবর্তীতে এসব বিষয় গণমাধ্যমে তুলে ধরার মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।

দিনব্যাপী আয়োজনে ছিল দুই বেলা খাবার, গান-বাজনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে অংশ নেওয়া অতিথিরা জানান, এ ধরনের আয়োজন শহর ও মফস্বলের সাংবাদিকদের মধ্যে সম্পর্ক ও বোঝাপড়া আরও দৃঢ় করবে।

আয়োজক শিবচর সাংবাদিক পরিবারের পক্ষ থেকে আবুল খায়ের খান বলেন, দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ঢাকার সাংবাদিক নেতাদের নিয়ে এই ভ্রমণের আয়োজন করা হয়েছে, যাতে তারা চরাঞ্চলের বাস্তব চিত্র দেখতে পারেন এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করেন।

আমার দেশ পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ বলেন, এই ভ্রমণ ছিল মনমুগ্ধকর, তবে চরের মানুষের জীবনযাত্রা দেখে কষ্ট পেয়েছি। তাদের জন্য কিছু করতে পারলে ভালো লাগবে।

অন্যদিকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও কালের কণ্ঠের সম্পাদক হাসান হাফিজ বলেন, পদ্মার চরে এটাই আমার প্রথম ভ্রমণ। এখানকার মানুষের জীবনমান দেখে খারাপ লেগেছে। বিষয়টি সরকারের নজরে আনতে গণমাধ্যমকে কাজ করতে হবে, আমরাও সে দায়িত্ব পালন করবো।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক খুরশিদ আলমসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা।

দিন শেষে অংশগ্রহণকারী অতিথিদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। আয়োজকরা জানান, চরাঞ্চলের মানুষের জীবনসংগ্রাম ও সাংবাদিকদের বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরতেই এ আয়োজন করা হয়েছে।

/এএস