জেলা প্রতিনিধি
২৮ মার্চ ২০২৬, ০৭:২৮ পিএম
ফরিদপুরে ‘তেল নেই’ লেখা পাম্পে প্রশাসনের অভিযানে মিলল ২৮ হাজার লিটার তেল। এ সময় ওই প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুর ১২টা থেকে বেলা ৩টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত চলা অভিযানে ফরিদপুর সদর উপজেলার ফরিদপুর-খুলনা মহাসড়কের পার্শ্ববর্তী কানাইপুর বাজারে, হোসেন ফিলিং স্টেশনকে এ জরিমানা করা হয়।
সদর উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, ফরিদপুর সদর ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়ার নেতৃত্বে এসিল্যান্ড ফরিদপুর সদর ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. শফিকুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট দীপ্ত চক্রবর্তী ও সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব রহমান আকাশ কর্তৃক এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

সহকারী কমিশনার (ভূমি),ফরিদপুর সদর ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, অভিযান পরিচালনাকালে কানাইপুর বাজারে দুলাল কুন্ডুর দোকানে, গুদামে ও তার বাড়িতে তল্লাশি করে পেট্রোল ও অকটেন মজুদ পাওয়া যায়নি, দোকানে অনুমোদিত মাত্রায় ডিজেল পাওয়া গিয়েছে।

পরবর্তীতে একই এলাকায় হোসেন ফিলিং স্টেশনে অভিযান পরিচালনাকালে পেট্রোল পাম্প বন্ধ পাওয়া যায়, উল্লিখিত পাম্পে ৭ হাজার লিটার পেট্রোল, ৬ হাজার ৫০০ লিটার অকটেন ও ১৪ হাজার ৫০০ লিটার ডিজেল মজুদ থাকা সত্ত্বেও ভোক্তাদের তেল সরবরাহ না করার অভিযোগ সরাসরি ঘটনাস্থলে সত্যতা পাওয়া যায়। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় হোসেল ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার সাবির চৌধুরীকে ভোক্তা অধিকার ও সংরক্ষণ আইনে ২০০৯ এর আওতায় ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়, পাম্প সব ভোক্তাদের জন্য চালু করে বাস, ট্রাক, কৃষক, প্রাইভেট কার, মোটরসাইকেলে প্রয়োজনীয় পেট্রোলিয়াম প্রদান করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ সময় পেট্রোল পাম্প কর্তৃপক্ষ ভুল করেছেন মর্মে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন।

তিনি আরও বলেন, এছাড়া ফরিদপুর - খুলনা মহাসড়কের পার্শ্বে ফরিদপুর সদরের কানাইপুর এলাকায় রয়েল ফিলিং স্টেশনে অভিযান পরিচালনা করা হয়, অভিযানকালে ভোক্তাদের শুধু ডিজেল বিক্রি করা হচ্ছে মর্মে দেখা যায়, পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি বন্ধ ছিলো। এসময় মজুদ যাচাই করে দেখা যায় পেট্রোল রয়েছে ৩ হাজার ৫০০ লিটার, অকটেন রয়েছে ৩ হাজার ৪০০ লিটার ও ডিজেল রয়েছে ১৯ হাজার লিটার। এ সময় পাম্পের মালিক ও ম্যানেজার মেশিনের সমস্যা উল্লেখ করে ক্ষমা প্রার্থনা করায় তাৎক্ষণিকভাবে পেট্রোল ও অক্টেন সরবরাহ লাইন চালু করে ভোক্তাদের সরবরাহের ব্যবস্থা করায় এই প্রতিষ্ঠানটিকে কোনো অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ড প্রদান করা হয়নি। বর্তমানে স্বাভাবিকভাবে তেল প্রদান অব্যাহত রয়েছে।
প্রতিনিধি/এসএস