images

সারাদেশ

চুয়াডাঙ্গায় বৈধ কাগজপত্র যাচাইয়ের পর মিলছে তেল

জেলা প্রতিনিধি

২৫ মার্চ ২০২৬, ০৭:৪১ পিএম

চুয়াডাঙ্গা জেলাজুড়ে দেখা দিয়েছে তীব্র জ্বালানি তেল সংকট। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ একেবারে তলানিতে নেমে যাওয়ায় জেলার অধিকাংশ ফিলিং স্টেশন প্রায় তেলশূন্য অবস্থায় পড়ে আছে। মাঝে মধ্যে যে-সব পাম্পে তেল সরবরাহ আসছে, সেখানে চালকদের দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। অল্প সময়ের মধ্যেই তেল ফুরিয়ে যাচ্ছে। চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যানবাহন চালক ও কৃষকরা। তবে, পুলিশি পাহারায় বৈধ কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পরই চালকদের তেল দেওয়া হচ্ছে।

বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল থেকে কিছু কিছু পেট্রোল পাম্পে পুলিশি পাহারায় সীমিত পরিমাণে তেল সরবরাহ করতে দেখা যায়।

তবে সরবরাহ অপ্রতুল হওয়ায় দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও অনেকেই তেল পাচ্ছেন না। জেলার বিভিন্ন পাম্পে গিয়ে দেখা গেছে, তেল নেওয়ার জন্য ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়। আর তেল না থাকায় অনেক পাম্পে বাঁশ দিয়ে ব্যারিকেড তৈরি করে রাখা হয়েছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, অনেক পাম্পে পুলিশ উপস্থিত থাকার পরও প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে গাড়ির বৈধ কাগজপত্র যাচাই ছাড়াই তেল দেওয়া হচ্ছে। এতে অবৈধ গাড়ির দৌরাত্ম্য বাড়ছে। অন্যদিকে, বৈধ চালকরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও তেল না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। বিশেষ করে কৃষিকাজে ব্যবহৃত সেচযন্ত্র চালাতে না পারায় মারাত্মক বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা।

এ বিষয়ে পাম্প মালিকরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামের অস্থিরতা এবং ডিপো থেকে পর্যাপ্ত সরবরাহ না পাওয়াই এই সংকটের মূল কারণ। এছাড়া ঈদ-পরবর্তী সময়ে হঠাৎ যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি এবং ঈদের ছুটিতে বেশ কয়েকদিন পাম্প বন্ধ থাকায় সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে, যার প্রভাব এখন দৃশ্যমান।

চুয়াডাঙ্গা জেলা ট্রাফিক বিভাগের টিআই (প্রশাসন) আমিরুল ইসলাম বলেন, আমরা প্রতিটি পাম্পে অফিসারসহ পুলিশ মোতায়েনের চেষ্টা করেছি। তারা প্রতিটি মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন নম্বর, ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং হেলমেট দেখে তেল দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করবেন। যে-সব চালকের এসব থাকবে না, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এছাড়া যারা অবৈধভাবে তেল মজুত করছে, তাদের বিরুদ্ধে ডিবিসহ প্রশাসন কাজ করছে বলেও তিনি জানান।

প্রতিনিধি/ এজে