জেলা প্রতিনিধি
২৩ মার্চ ২০২৬, ০৩:০৫ পিএম
নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় বিভিন্ন স্থানে কুকুরের কামড়ে এক সাংবাদিকসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
গতকাল রোববার সকাল থেকে আজ সোমবার (২৩ মার্চ) সকাল পর্যন্ত পৌরশহর ও উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে।
আক্রান্তদের মধ্যে শিশু ও ১৫ বছরের নিচের কিশোর-কিশোরীর সংখ্যাই বেশি বলে জানা গেছে।
তবে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কুকুরের কামড়ের ভ্যাকসিন না থাকায় আহতরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঈদের সময়টাতে গ্রামে গঞ্জে বেশি পরিমাণে গরু ছাগল জবাই করার কারণে এই সময়ে রাস্তাঘাটে কুকুরের উৎপাত বেড়ে যায়। এছাড়া দেশি কুকুরদের ভ্যাকসিন না দেওয়ার কারণে অধিকাংশই জলাতঙ্ক রোগে ভোগে। ফলে রাস্তায় ছোটোদের কাছে পেলে কামড়ে দেয়। গতকাল রোববার সকাল থেকে এ পর্যন্ত ২০ জনের বেশি মানুষ কুকুরের কামড়ে আহত হয়েছেন। তবে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভ্যাকসিন না থাকায় কুকুরের কামড়ে আহতদের চিকিৎসা নিতে হচ্ছে দূরের হাসপাতালে। এতে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে তাদের।
কুকুরের কামড়ে আহত স্থানীয় সাংবাদিক কাউসার তালুকদার বলেন, গ্রামে কুকুর বেশি, এখানে কুকুরের কামড়ে বেশি মানুষ আহত হয়। অথচ স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এর কোনো ভ্যাকসিন নেই। ভ্যাকসিন আছে শহরের হাসপাতালে। এটা কেমন কথা! গতকাল থেকে এ পর্যন্ত ২০ জনের বেশি মানুষ কুকুরের কামড়ে আহত হয়েছে। দ্রুত স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কুকুরের কামড়ের ভ্যাকসিন সরবরাহের দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নাইম হাসান বলেন, গতকাল থেকে কুকুরের কামড়ে আহত বেশ কয়েকজন চিকিৎসা নিয়েছেন। মাত্র বিশেষায়িত হাসপাতাল ও জেলা সদরে সরকারিভাবে কুকুরের ভ্যাকসিন পাওয়া যায়। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কুকুরের কামড়ের ভ্যাকসিন আসে না।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মো. রিফাতুল ইসলাম বলেন, কুকুরের উপদ্রব নিয়ে আগেও আলোচনা হয়েছে। খুব শিগ্গিরই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি তিনি সবাইকে সতর্কতার সঙ্গে চলাফেরা করার পরামর্শ দেন।
প্রতিনিধি/এসএস