জেলা প্রতিনিধি
২২ মার্চ ২০২৬, ১১:০৪ এএম
বান্দরবানের সুয়ালক এলাকায় পর্যটকবাহী বাস খাদে পড়ে পর্যটকসহ ২০ যাত্রী আহত হয়েছেন।
রোববার (২২ মার্চ) ভোর ৫টায় বাদরবান-কেরানিহাট সড়কের সুয়ালক বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আহত, ঢাকা মিরপুর এলাকার প্রিয়নাথ দাশের ছেলে পল্লব দাশ (২৮), পুরান ঢাকা এলাকার মনির হোসেনের ছেলে রিয়াদ (২৫), নকুল দাশের ছেলে প্রিতম দাশ (২০) শিবু সেনের ছেলে চিরঞ্জিৎ সেন (২৭), রাদেস স্যাম দাশের ছেলে রিমন দাশ (২৭), আবদুল কাদেরের ছেলে আলামিন (২৬) কিশোরগঞ্জের জাহাঙ্গীরের ছেলে শিফাত মাহমুদ (২৬),খিলক্ষেত এলাকার বজলুর রহমানের ছেলে সোহেল (৩৮), মো. সোহেলের স্ত্রী ডা. জান্নাতুল ফেরদৌস (৩২), মোহাম্মদপুর এলাকার নুরুল জামান রিপনের ছেলে নাফি রেজওয়ান (৩৮),বিক্রমপুরের সিয়াম মণ্ডলের ছেলে সৌরভ মন্ডল (৩৮)। তাৎক্ষণিকভাবে অন্যদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোর ৫টার দিকে বান্দরবান-কেরানীহাট সড়কের সুয়ালক কিউবি রেস্টুরেন্টের পাশে সৌদিয়া পরিবহনের একটি গাড়ি খাদে পড়ে যায়। আহতদের সরগোলে স্থানীয়রা এগিয়ে আসে এবং ফায়ারসার্ভিসকে খবর দেয়। পরে স্থানীয় ও ফায়ারসার্ভিসের সদস্যদের সহায়তায় সবাইকে উদ্ধার করে। আহতদের বান্দরবান হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। এদের মধ্যে ২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল।
দুর্ঘটনা কবলিত গাড়িতে থাকা পর্যটক উৎস পাল জানান, ঢাকা থেকে সৌদিয়া গাড়ি করে ৪০-৪৫ জনের একটি দল বান্দরবান ভ্রমণে আসছিলেন। গাড়িটির চালক ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত ভালোভাবে গাড়িটি চালালেও চট্টগ্রাম পরবর্তী সময়ে এলোমেলো ভাবে গাড়ি চালাচ্ছিলেন। যার জন্য চালককে বকাঝকাও করেছিলেন তারা। পরবর্তীতে কেরানীহাট-বান্দরবান সড়কের সুয়ালক বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় পৌঁছালে সড়কের বাঁকে মোড় ঘোরেতে হয়ত ঘুমের ঘোরে ব্রেকের স্থানে এস্কেলেটরে চাপ দিয়ে বসেন চালক। ফলে গাড়িটি সড়কের খাদে পড়ে যায়। এতে গাড়িতে থাকা প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন যাত্রী আহত হয়।

বান্দরবান ফায়ারসার্ভিস স্টেশনের সিনিয়র অফিসার ইকবাল হাসান বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে বান্দরবান সদর হাসপাতালে ভর্তি এবং এদের মধ্যে গুরুতর আহত দুজনকে উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজনে চট্টগ্রামে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।
বান্দরবান সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডাক্তার ধীমান চৌধুরী বলেন, ভোর ৬টার দিকে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত প্রায় ২০ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজনে তাদের চট্টগ্রামে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।এছাড়া সাধারণ ভর্তি নেওয়া অধিকাংশ রোগীরা নিজ থেকে রিলিজ নিয়ে চলে গেছেন বলে জানান তিনি।
প্রতিনিধি/এসএস