জেলা প্রতিনিধি
১৯ মার্চ ২০২৬, ০১:৫২ পিএম
আর মাত্র একদিন পরেই ঈদ। ঈদকে সামনে রেখে জমে উঠেছে ভোলার বিভিন্ন মার্কেট ও শপিং মল গুলো। সকাল থেকে রাত অবধি চলছে কেনাবেচার ধুম।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভোলা শহরের কে-জাহান, জিয়া সুপার, চক-বাজার মার্কেটসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের শো-রুমগুলোতে চলছে জমজমাট বেচা বিক্রি।
ক্রেতারা বলছেন, পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে পরিবার-পরিজন নিয়ে কেনাকাটায় ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। তাদের অভিযোগ, গতবছরের তুলনায় এ বছর পোশাকের দাম বেশি রাখছেন বিক্রেতারা।

ভোলা শহরের কে-জাহান মার্কেটে শপিং করতে আসা ক্রেতা মো. রিয়াজ জানান, পরিবার নিয়ে কেনাকাটায় এসেছেন। তবে গতবারের তুলনায় এ বছর পোশাকের দাম খুব বেশি। তারপরেও পরিবারের আনন্দ বিবেচনায় কেনাকাটা করছেন।
তবে বিক্রেতারা বলছেন, ঈদকে সামনে রেখে প্রতিবছরই বাজারে নতুন নতুন পোশাক আসে। যেগুলোর দাম আগের বছরের তুলনায় বেশি হয়ে থাকে। তবে অধিকাংশ পোশাকের দাম স্বাভাবিক রয়েছে বলেও দাবি করছেন বিক্রেতারা।
শহরের চকবাজারের ব্যবসায়ী শরিফ মিয়া জানান, কিছু পণ্যের দাম বৃদ্ধি পেলেও অধিকাংশ পোশাকের দাম স্বাভাবিক রয়েছে। ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী পোশাক বিক্রি করতে পেরে তিনি খুব খুশি।
এ বছর বিপণি বিতানগুলোতে শোভা পাচ্ছে ফার্সি, সারারা, গারারা, গাউন, ইন্ডিয়ান, পাকিস্তানিসহ বাহারি রকমের পোশাক। বড়োদের পাশাপাশি ছোটোদেরও রয়েছে আকর্ষণীয় ডিজাইনের পোশাক।
এদিকে বিপণি বিতানগুলোর পাশাপাশি জমজমাট ভোলার জুয়েলারি, কসমেটিকস ও জুতার দোকানগুলোতেও। ছোট থেকে বড়, নারী-পুরুষ সবার ভিড়।

ঈদে ভোক্তা অধিকার রক্ষায় কাজ করছেন জেলা প্রশাসনের কয়েকটি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট টিম। অসাধু ব্যবসায়ী বা নকল পণ্যের প্রতি রয়েছে তাদের কঠোর নজরদারি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস জেলা প্রশাসনের।
ভোলার জেলা প্রশাসক ডা. শামিম রহমান জানান, অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট প্রতিহত করতে আমাদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রতিনিয়ত ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে শপিংমল ও বাজার তদারকির দায়িত্ব পালন করছেন।
প্রতিনিধি/এসএস