জেলা প্রতিনিধি
১৯ মার্চ ২০২৬, ০১:২৯ পিএম
প্রতি বছরের ন্যায় সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আগামীকাল ঈদ পালন করবেন ভোলার ১৪টি গ্রামের প্রায় ৫ হাজার মানুষ।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বরী দরবার শরীফ ও চট্টগ্রামের সাতকানিয়া মির্জাখীল দরবার শরীফের অনুসারীরা।
শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বরী দরবার শরীফ ও চট্টগ্রামের সাতকানিয়া মির্জাখীল দরবার শরীফের অনুসারীরা জানান, জেলার ১৪ টি গ্রামের প্রায় ৫ হাজার অনুসারী রয়েছে তাদের। তারা সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে রোজা রেখেছেন এবং সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে আগামীকাল ঈদ পালন করবেন।
তবে জেলায় ৫ অনুসারীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অনুসারী রয়েছে ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায়। এই উপজেলার টবগী ও মুলাইপত্তন গ্রামেই রয়েছে তাদের প্রায় ৩ হাজার অনুসারী।
বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী গ্রামের বাসিন্দা সুরেশ্বরী দরবার শরীফের অনুসারী মো. সুমন মিয়া জানান, সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে আগামীকাল তারা ঈদ পালন করবেন। সকাল ৯টায় ওই গ্রামের পঞ্চায়েত বাড়ির দরজায় ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।
সুরেশ্বরী দরবার শরীফ ও সাতকানিয়ার মির্জাখীল দরবার শরীফ অনুসারী এবং বোরহানউদ্দিন উপজেলার মুলাইপত্তন গ্রামের আমিন মিয়া চৌকিদার বাড়ি দরজা জামে মসজিদের ঈমাম মাওলানা আনোয়ার হোসেন জানান, প্রতি বছরের মতো এবছরও তারা সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে রোজা রেখেছেন এবং আগামীকাল সকালে তাদের ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি আরও জানান, ভোলা সদর উপজেলা, বোরহানউদ্দিন, দৌলতখান, তজুমদ্দিন, লালমোহন, চরফ্যাশন ও মনপুরা উপজেলার ১৪টি গ্রামে সুরেশ্বরী দরবার শরীফ ও সাতকানিয়ার মির্জাখীল দরবার শরীফ অনুসারীরা ঈদ পালন করবেন।
আগামীকাল ঈদ পালন করা এসব অনুসারীরা বলছেন, সারা বিশ্বের মুসলমানরা একই সময় রোজা রাখা ও ঈদ পালন করা উচিত। তাদের মতে, তারাই সঠিক সময়ে রোজা ও ঈদ পালন করছেন।
উল্লেখ্য, এর আগে তারা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে তারাবি নামাজ ও রোজা রেখেছেন। সেই হিসেবে আগামীকাল সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ পালন করবেন।
প্রতিনিধি/এসএস